শুক্রবার বিকেলে পল্লবীর মিরপুর-১১ নম্বর সেকশনের বি-ব্লকের ২ নম্বর সড়কে অবস্থিত একটি চায়ের স্টলের সামনে এই হামলার ঘটনা ঘটে।
পল্লবী থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, ঘটনার সময় আলমগীর উক্ত দোকানটিতে অন্যদের সাথে কথা বলছিলেন। সে সময় হঠাৎ দুর্বৃত্তরা এসে এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করলে আলমগীর ও এক নারী পথচারী গুলিবিদ্ধ হন। দুর্বৃত্তদের ছোঁড়া গুলির মধ্যে তিনটি এসে লাগে আলমগীরের মাথার অংশে এবং পিঠে।
এদিকে গুলিতে জখম হওয়া পথচারী জোসনা স্থানীয় বি-ব্লকের স্থায়ী বাসিন্দা। তার পায়ে একটি গুলি বিদ্ধ হলে তাকে দ্রুত নিকটস্থ একটি চিকিৎসাকেন্দ্রে ভর্তি করানো হয়।
হাসপাতালের শয্যায় চিকিৎসাধীন আলমগীর জানান, একটি ব্যক্তিগত গাড়িতে করে চারজন সশস্ত্র ব্যক্তি এসে তাকে লক্ষ্য করে সরাসরি গুলি ছুঁড়ে আবার ওই যানে চড়েই সটকে পড়ে। তাদের মধ্যে যুবলীগের ক্যাডার রুবেল ও বাপ্পীকে তিনি শনাক্ত করতে পেরেছেন। তবে কী কারণে এই ঝটিকা হামলা চালানো হয়েছে তা তিনি স্পষ্ট করতে পারেননি।
পেশাগত জীবনে সোয়ারীঘাটে পারিবারিক মৎস্য আড়তের ব্যবসার সাথে যুক্ত আলমগীর মূলতঃ নবাবগঞ্জ রোডের বাসিন্দা হলেও বর্তমানে সপরিবারে মিরপুর-১১ নম্বরে বসবাস করছেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে পল্লবী থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান, স্থানীয় সন্ত্রাসী রুবেল ওরফে ল্যাংড়া রুবেল এই হামলা পরিচালনা করেছে বলে প্রাথমিক তথ্যে উঠে এসেছে। এই ঘটনায় এক নারীও আহত হয়েছেন। হামলার নেপথ্য কারণ উদঘাটনে অনুসন্ধান চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।