দীর্ঘ বিরতির পর আজ রোববার থেকে সীমিত পরিসরে চালু হচ্ছে গাজা উপত্যকা ও মিসরের মধ্যে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ রাফাহ সীমান্ত ক্রসিং। ২০২৪ সালের মে মাসে ইসরায়েলি বাহিনী এই ক্রসিং নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর এটি প্রথমবার যাতায়াতের জন্য খোলা হলো। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-এর এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের সক্রিয় মধ্যস্থতায় সম্পাদিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির প্রাথমিক ধাপ হিসেবে পরীক্ষামূলকভাবে সীমান্তটি খুলে দেওয়া হয়েছে। এর ফলে দীর্ঘ সময় ধরে অবরুদ্ধ গাজার বাসিন্দারা নিরাপদ গন্তব্যে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। গাজা পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাটিক কমিটির প্রধান আলী শাথ জানিয়েছেন, আজ শুধুমাত্র গাজা থেকে বের হওয়ার পথ খোলা থাকলেও আগামীকাল সোমবার থেকে উভয় দিক থেকে যাতায়াত শুরু হবে। তবে শুরুতে সাধারণ মানুষের সংখ্যা সীমিত রাখা হয়েছে।
ইসরায়েলি নিরাপত্তা সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিদিন গড়ে ১৫০ জন ফিলিস্তিনিকে গাজা ত্যাগের অনুমতি দেওয়া হবে। বিপরীতে সর্বোচ্চ ৫০ জনকে প্রতিদিন গাজায় পুনরায় প্রবেশের সুযোগ দেওয়া হবে। গত ২৫ অক্টোবর থেকে কার্যকর হওয়া অস্ত্রবিরতি চুক্তির অন্যতম প্রধান শর্ত ছিল ক্রসিংটি সার্বক্ষণিকভাবে উন্মুক্ত রাখা। তবে ইসরায়েলি পক্ষ শুরু থেকেই দাবি করেছিল, তাদের সব জিম্মি ও নিহতদের মরদেহ ফেরত না পাওয়া পর্যন্ত তারা এই পথ খুলবে না। গত সপ্তাহে ইসরায়েলি জিম্মি রান গিভিলি’র মরদেহ হস্তান্তরের পর অবশেষে তেল আবিব এই সীমান্ত পারাপার সচল করার সিদ্ধান্ত নিল।