শুক্রবার, 23 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জাতীয়করণ হচ্ছে থানচির ‘তিন্দু নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়’

দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে সংগ্রাম করা বান্দরবানের থানচি উপজেলার ‘তিন্দু নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়’ জাতীয়করণের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ছুটির দিনে সাঙ্গু নদীতে ইঞ্জিনচালিত নৌকা চালিয়ে স্কুলের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন দেওয়ার খবর প্রকাশের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জাতীয়করণ হচ্ছে থানচির ‘তিন্দু নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়’

দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে সংগ্রাম করা বান্দরবানের থানচি উপজেলার ‘তিন্দু নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়’ জাতীয়করণের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। ছুটির দিনে সাঙ্গু নদীতে ইঞ্জিনচালিত নৌকা চালিয়ে স্কুলের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন দেওয়ার খবর প্রকাশের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

রোববার (২৮ জুন) জাতীয় সংসদের বাজেট আলোচনায় শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এ ঘোষণা দেন।

সংসদে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী একটি নির্দেশ পাঠিয়েছেন, থানচির তিন্দু এলাকার সেই স্কুলটিকে যেন জাতীয়করণ করা হয়। রোববার মহান সংসদে তিনি এ স্লিপ পাঠিয়েছেন। তিনি জানান, স্কুলটি জাতীয়করণ করা হবে শিগগিরই।’

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সম্প্রতি বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক বামং খিয়াং মিংলেনের সংগ্রামের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর নজরে আসে। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখতে পান, এই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বামং খিয়াং মিংলেন তার সহকর্মীদের বেতন যোগাতে নৌকা চালান। শুধু মার্চ-এপ্রিল মাসে নৌকা চালিয়ে আয় করেছেন ৪০ হাজার টাকা। যার মধ্যে ৩০ হাজার টাকা দিয়েছেন সহকর্মীদের বেতন বাবদ।’

তিনি আরও বলেন, ‘যেখানে দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলে একটি স্কুল টিকিয়ে রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ, সেখানে প্রধান শিক্ষক অনেকের কাছে অনুপ্রেরণার গল্প। বিষয়টি নজরে আসার পর রাতেই শিক্ষামন্ত্রীকে স্কুলটি জাতীয়করণের জন্য যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বলেন প্রধানমন্ত্রী।’

জানা গেছে, ২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত তিন্দু নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বর্তমানে ৫৬ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। তবে এলাকার অধিকাংশ পরিবার আর্থিকভাবে অসচ্ছল হওয়ায় নিয়মিত বেতন পরিশোধ করতে পারে না। এতে শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ করা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে।