শুক্রবার, 23 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

পাবনায় মাদরাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, আটক ১

পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের একটি মহিলা মাদরাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক আবু ইউসুফকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ লোকজন মাদরাসাটিতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন।

পাবনায় মাদরাসাশিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, আটক ১
অভিযুক্ত শিক্ষক আবু ইউসুফ (বাঁয়ে) এবং ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগে ক্ষতিগ্রস্ত মাদরাসা (ডানে) ছবি: সংগ্রহীত

পাবনা সদর উপজেলার ভাড়ারা ইউনিয়নের একটি মহিলা মাদরাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক আবু ইউসুফকে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ লোকজন মাদরাসাটিতে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন।

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) গভীর রাতে ভাড়ারা ইউনিয়নের দড়ি ভাউডাঙ্গা কদমতলা গ্রামের নুরে মদিনা মহিলা মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে। শুক্রবার সকালে মাদরাসাটিতে ভাঙচুর ও আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত শিক্ষক আবু ইউসুফ পাবনা সদর উপজেলার সাদুল্লাপুর ইউনিয়নের খালিশপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ও অভিযোগকারী ছাত্রী বর্তমানে পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে ধর্ষণের শিকার হওয়ার আশঙ্কায় ওই ছাত্রী মাদরাসা থেকে পালিয়ে পাশের একটি বাড়িতে আশ্রয় নেন। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। এরপর শুক্রবার সকালে বিক্ষুব্ধ লোকজন মাদরাসায় ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পাবনার পুলিশ সুপার আলী আশ্রাফ বলেন, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। তদন্তের ভিত্তিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মাদরাসায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনাটিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ঘটনার পর এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।