রবিবার, 8 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

রাষ্ট্রপতির ৩ অপরাধে ভাষণ বর্জন করেছি : জামায়াত আমির

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ বয়কট করার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার বিকেলে সংসদ কক্ষ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে তিনি অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তিনটি সুনির্দিষ্ট অপরাধে অভিযুক্ত এবং সেই কারণেই তার বক্তব্য শোনা জামায়াত সদস্যদের পক্ষে সম্ভব নয়।

রাষ্ট্রপতির ৩ অপরাধে ভাষণ বর্জন করেছি : জামায়াত আমির
ছবিঃ সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ বয়কট করার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বৃহস্পতিবার বিকেলে সংসদ কক্ষ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে তিনি অভিযোগ করেন, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তিনটি সুনির্দিষ্ট অপরাধে অভিযুক্ত এবং সেই কারণেই তার বক্তব্য শোনা জামায়াত সদস্যদের পক্ষে সম্ভব নয়।

সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই সংসদ জুলাই বিপ্লবের শহীদদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে গঠিত হয়েছে। শুরু থেকেই আমাদের দাবি ছিল যে, ফ্যাসিবাদের কোনো দোসর বা সহযোগী যেন এই মহান সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ না পায়। তিনি বর্তমান রাষ্ট্রপতিকে পূর্ববর্তী খুনি সরকারের সহযোগী হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

বিরোধীদলীয় নেতার উত্থাপিত দ্বিতীয় অভিযোগটি ছিল রাষ্ট্রপতির স্বচ্ছতা নিয়ে। তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাষ্ট্রপতি জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করার কথা জানিয়েছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি নিজ বক্তব্য থেকে সরে এসে তা অস্বীকার করেন, যা তাকে জাতির সামনে একজন মিথ্যাবাদী হিসেবে প্রমাণ করেছে। একজন মিথ্যাবাদীর বক্তব্য সংসদ শুনতে পারে না বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তৃতীয় কারণ হিসেবে জামায়াত আমির অর্ডিন্যান্স বা অধ্যাদেশ সংক্রান্ত জটিলতার কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরিত অধ্যাদেশ অনুযায়ী সংসদ সদস্যরা একই সঙ্গে সংস্কার ও সংশোধন পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন এবং একই দিনে দুটি শপথ গ্রহণ করবেন। জামায়াতের সদস্যরা এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করলেও সরকারি দল তা যথাযথভাবে পালন করেনি বলে তিনি অভিযোগ করেন। এই সাংবিধানিক ও নৈতিক স্খলনের প্রতিবাদেই তারা সংসদ থেকে ওয়াকআউট করেছেন বলে জানান বিরোধীদলীয় নেতা।