রবিবার, 25 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

রাশিয়ার কারখানায় ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, নিহত ৭

রাশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় স্মোলেনস্ক অঞ্চলের একটি সার কারখানায় ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় অন্তত সাতজন প্রাণ হারিয়েছেন। দেশটির তদন্ত কমিটির বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, এই ভয়াবহ হামলায় আরও অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। ইউক্রেন সীমান্ত থেকে প্রায় ২৯০ কিলোমিটার অভ্যন্তরে দোরোগোবুঝ শহরে অবস্থিত ওই শিল্প কারখানায় অন্তত ৩০টি ড্রোন একযোগে আঘাত হানে।

রাশিয়ার কারখানায় ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, নিহত ৭
ছবিঃ সংগৃহীত

রাশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলীয় স্মোলেনস্ক অঞ্চলের একটি সার কারখানায় ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় অন্তত সাতজন প্রাণ হারিয়েছেন। দেশটির তদন্ত কমিটির বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, এই ভয়াবহ হামলায় আরও অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। ইউক্রেন সীমান্ত থেকে প্রায় ২৯০ কিলোমিটার অভ্যন্তরে দোরোগোবুঝ শহরে অবস্থিত ওই শিল্প কারখানায় অন্তত ৩০টি ড্রোন একযোগে আঘাত হানে।

আঞ্চলিক গভর্নর ভ্যাসিলি আনোখিন এই ঘটনাকে ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর এক 'বর্বর সন্ত্রাসী হামলা' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি জানান, লক্ষ্যবস্তু হওয়া কারখানাটিতে মূলত কৃষি কাজে ব্যবহৃত অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ও নাইট্রিক অ্যাসিড তৈরি করা হয়। তবে এসব রাসায়নিক উপাদান বিস্ফোরক তৈরিতেও ব্যবহারের সুযোগ থাকায় এটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। গভর্নর আরও জানান, হামলার পর দ্রুত উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়েছে। রাসায়নিক দূষণের ঝুঁকি এড়াতে পার্শ্ববর্তী একটি জনবসতির বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা করছে স্থানীয় প্রশাসন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দোরোগোবুঝ শহরের কিন্ডারগার্টেনগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে এবং স্কুলগুলোতে অনলাইন পাঠদান শুরু হয়েছে।

ইউক্রেন এই হামলার বিষয়ে এখনো সরাসরি কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তবে চলতি সপ্তাহেই দেশটির ড্রোন হামলায় রাশিয়ার তাতারস্তান প্রজাতন্ত্রের একটি তেল পাম্পিং স্টেশন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল। ২০২২ সালে শুরু হওয়া রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত বর্তমানে পঞ্চম বছরে পা রেখেছে। সম্মুখ সমরে বড় কোনো পরিবর্তন আনতে না পারলেও কিয়েভ সাম্প্রতিক সময়ে রাশিয়ার অভ্যন্তরে দূরপাল্লার ড্রোন হামলা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে। এদিকে দনবাস অঞ্চলের অচলাবস্থা নিরসনে আগামী মার্চের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় নতুন দফায় ত্রিপক্ষীয় বৈঠক হতে পারে বলে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন।