শুক্রবার, 6 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ন্যাটো, রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গুরুতর অভিযোগ

পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো রাশিয়ার বিরুদ্ধে সরাসরি সশস্ত্র সংঘাতের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা। রাশিয়ার সংবাদ সংস্থা তাসের বরাতে জানা গেছে, ন্যাটোর ক্রমবর্ধমান সামরিক ব্যয় এবং একের পর এক মহড়াকে এই প্রস্তুতির স্পষ্ট সংকেত হিসেবে দেখছে মস্কো। জাখারোভা অভিযোগ করেছেন, জোটটির বর্তমান পরিসংখ্যান ও কার্যক্রম প্রমাণ করে যে, তারা আগামী বছরগুলোতে রাশিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধে জড়ানোর পরিকল্পনা করছে।

রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে ন্যাটো, রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গুরুতর অভিযোগ
ছবিঃ সংগৃহীত

পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটো রাশিয়ার বিরুদ্ধে সরাসরি সশস্ত্র সংঘাতের প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা। রাশিয়ার সংবাদ সংস্থা তাসের বরাতে জানা গেছে, ন্যাটোর ক্রমবর্ধমান সামরিক ব্যয় এবং একের পর এক মহড়াকে এই প্রস্তুতির স্পষ্ট সংকেত হিসেবে দেখছে মস্কো। জাখারোভা অভিযোগ করেছেন, জোটটির বর্তমান পরিসংখ্যান ও কার্যক্রম প্রমাণ করে যে, তারা আগামী বছরগুলোতে রাশিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধে জড়ানোর পরিকল্পনা করছে।

২০২৫ সালের জন্য ন্যাটোর নির্ধারিত কার্যক্রমের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে রুশ এই কর্মকর্তা জানান, বৈশ্বিক উত্তেজনা বৃদ্ধির পেছনে এই জোটের ভূমিকাই প্রধান হয়ে উঠেছে। তাঁর দেওয়া তথ্যমতে, আগামী বছর ন্যাটোর সম্ভাব্য সামরিক ব্যয়ের পরিমাণ দাঁড়াতে পারে প্রায় ১.৬৪ ট্রিলিয়ন ডলারে। এটি জোটের ৩২টি সদস্য দেশের সম্মিলিত ব্যয়ের প্রায় ৬২ শতাংশ, যা বিশ্বের মোট সামরিক ব্যয়ের একটি বিশাল অংশ। জাখারোভা প্রশ্ন তোলেন, এত বিপুল অর্থ সামরিক খাতে ব্যয়ের পরও কেন রাশিয়াকেই বারবার হুমকি হিসেবে চিত্রায়িত করা হচ্ছে।

মস্কোর দাবি অনুযায়ী, গত এক বছরে ন্যাটোর তত্ত্বাবধানে ১২০টিরও বেশি বড় ধরনের সামরিক মহড়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর পাশাপাশি সদস্য রাষ্ট্রগুলো ব্যক্তিগতভাবে আরও ৭০০টির বেশি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করেছে, যেখানে অংশীদার দেশগুলোর অংশগ্রহণ আগের তুলনায় বেড়েছে। রাশিয়ার অভিযোগ, এসব মহড়ায় কেবল আত্মরক্ষামূলক নয়, বরং সরাসরি আক্রমণাত্মক কৌশলও অনুশীলন করা হচ্ছে, যা ন্যাটোর আগ্রাসী মনোভাবকে স্পষ্ট করে।

ইউরো-আটলান্টিক অঞ্চলের প্রধান নিরাপত্তা ঝুঁকি হিসেবে রাশিয়াকে চিহ্নিত করার যে অবস্থান ন্যাটো নিয়েছে, তাকে সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন জাখারোভা। একই সঙ্গে আকাশসীমা লঙ্ঘন, নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড এবং সাইবার হামলার বিষয়ে রাশিয়ার বিরুদ্ধে আনা ন্যাটোর অভিযোগগুলোকেও তিনি প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন। বিশ্লেষকদের মতে, ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে আসা এই কঠোর বক্তব্য ন্যাটো ও রাশিয়ার মধ্যকার বিদ্যমান স্নায়ুযুদ্ধকে নতুন করে আরও উসকে দিতে পারে।