১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আনুষ্ঠানিক প্রচারণার ডামাডোল শুরু হয়েছে।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকাল থেকে দেশের ২৯৮টি সংসদীয় আসনে বৈধ প্রার্থীদের মধ্যে নির্বাচনী প্রতীক বিতরণের কাজ করছেন সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তারা। এর মাধ্যমেই প্রার্থীরা তাদের নির্দিষ্ট চিহ্ন নিয়ে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাওয়ার আনুষ্ঠানিক অনুমতি পাচ্ছেন।
নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এবারের নির্বাচনে অংশগ্রহণের লক্ষ্যে দুই হাজার ৫৮৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে ৭২৬ জনের আবেদন বাতিল হলে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়ায় এক হাজার ৮৫৮ জনে। পরবর্তীতে বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল করেন ৬৩৯ জন, যার মধ্যে ৪৩১ জন তাদের প্রার্থিতা ফিরে পান। তবে মঙ্গলবার প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে ৩০৫ জন সরে দাঁড়ালে শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ে টিকে থাকেন এক হাজার ৯৬৭ জন প্রার্থী। আজ এই প্রার্থীদের হাতেই তুলে দেওয়া হচ্ছে দলীয় ও স্বতন্ত্র প্রতীক।
অন্যদিকে, আইনি জটিলতার কারণে পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনের নির্বাচনী তফসিলে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে। সংশোধিত সূচি অনুযায়ী, এই দুই আসনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার কাজ ১৮ জানুয়ারি সম্পন্ন হয়েছে। ১৯ জানুয়ারি বাছাইয়ের পর এখন ২০ থেকে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল দায়েরের সুযোগ রয়েছে। ২৫ জানুয়ারি আপিল নিষ্পত্তি এবং ২৬ জানুয়ারি মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। ২৭ জানুয়ারি এই দুই আসনের প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে।
নির্বাচন কমিশনের জনসংযোগ শাখার পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানান, পাবনার দুটি আসনে নির্দিষ্ট সময় পরে প্রতীক দেওয়া হলেও সারা দেশের ৩০০ আসনেই ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে একই দিনে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।