শনিবার, 7 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

সিরাজগঞ্জে একদিনে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৫০ স্থাপনা

আঞ্চলিক মহাসড়ক দখলমুক্ত করতে বড় ধরনের অভিযানে নেমেছে সিরাজগঞ্জ প্রশাসন। সড়ক ও জনপথ বিভাগের মালিকানাধীন জায়গা পুনরুদ্ধার করতে পরিচালিত এই অভিযানে এক দিনেই গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে প্রায় ৫০টি অবৈধ স্থাপনা

সিরাজগঞ্জে একদিনে গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো ৫০ স্থাপনা
ছবি : সংগৃহীত

আঞ্চলিক মহাসড়ক দখলমুক্ত করতে বড় ধরনের অভিযানে নেমেছে সিরাজগঞ্জ প্রশাসন। সড়ক ও জনপথ বিভাগের মালিকানাধীন জায়গা পুনরুদ্ধার করতে পরিচালিত এই অভিযানে এক দিনেই গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে প্রায় ৫০টি অবৈধ স্থাপনা।

নলকা-সিরাজগঞ্জ সড়কের সাড়ে ছয় কিলোমিটার এলাকা জুড়ে এই উচ্ছেদ কার্যক্রম চালানো হয়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মহাসড়কের পাশে গড়ে ওঠা প্রায় দুইশত অবৈধ অবকাঠামো উচ্ছেদ না হওয়া পর্যন্ত এই তৎপরতা চলমান থাকবে।

সোমবার সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এই অভিযান পরিচালিত হয়। সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফিফান নজমুর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে উচ্ছেদ কার্যক্রমে সড়ক ও জনপথ বিভাগ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং প্রশাসনের অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অভিযান চলাকালে সড়কের দুই পাশে গড়ে ওঠা বিভিন্ন দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ভেঙে ফেলা হয়। দীর্ঘদিন ধরে সরকারি জায়গা দখল করে এসব স্থাপনা তৈরি করা হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে।

সওজ কার্যালয় থেকে জানা যায়, নলকা-কাটাওয়াপাড়া থেকে শুরু করে সিরাজগঞ্জ মেডিকেল কলেজ পর্যন্ত সড়কের দুই পাশের জায়গাটি সরকারিভাবে অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সেখানে অবৈধভাবে বিভিন্ন অবকাঠামো গড়ে ওঠে। বর্তমানে সড়কটি আরও প্রশস্ত ও উন্নত করার কাজ চলছে, যার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই এই উচ্ছেদ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

অভিযানের বিষয়ে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফিফান নজমু জানান, সিরাজগঞ্জকে একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত শহর হিসেবে গড়ে তোলাই তাদের মূল উদ্দেশ্য। সড়ক সম্প্রসারণ কাজের জন্য সরকার আগেই জমি অধিগ্রহণ করে মালিকদের যথোপযুক্ত ক্ষতিপূরণ বুঝিয়ে দিয়েছিল। তবে দীর্ঘদিন ধরে সেই জমির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়া সম্ভব হয়নি।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, উচ্ছেদ শুরুর আগে দখলদারদের সতর্ক করে একাধিকবার নোটিশ দেওয়া হয়েছিল এবং মাইকিংয়ের মাধ্যমে স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। যারা সেই নির্দেশনা উপেক্ষা করেছেন, তাদের স্থাপনাগুলোই এখন ভেঙে দেওয়া হচ্ছে। এই উচ্ছেদ কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে আরও কিছুদিন চলবে বলেও তিনি জানান।