ইয়েমেনের আকাশসীমায় সৌদি আরবের বিমান প্রবেশের প্রতিশোধ হিসেবেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনটির সামরিক বিষয়াবলি সংক্রান্ত প্রতিনিধি ইয়াহিয়া সারি এক বার্তায় উল্লেখ করেন। তিনি জানান, পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশগুলো থেকে ইয়ানবু বন্দর অভিমুখে অপরিশোধিত তেল প্রেরণের কাজে ব্যবহৃত মূল পয়েন্ট ও গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলোকে সুনির্দিষ্টভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল।
তবে এই ধরনের দাবির স্বপক্ষে বা বিপরীতে রিয়াদ প্রশাসনের তরফ থেকে এখনো কোনো সরকারি বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি। এমনকি উক্ত ঘটনায় অবকাঠামোগত ক্ষতি কিংবা কোনো প্রাণহানি ঘটেছে কি না, সে সম্পর্কিত নিরপেক্ষ কোনো তথ্য বা প্রমাণ এখনো মেলেনি।
সাম্প্রতিক সময়ে দুই পক্ষের মধ্যকার চলমান টানাপোড়েন পুনরায় তীব্র রূপ ধারণ করেছে। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বিশ্ববাজারে জ্বালানি রফতানির প্রধান কেন্দ্রগুলোতে এ ধরনের নিরাপত্তা হুমকির খবর মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতাকে যেমন বাড়িয়ে দিতে পারে, তেমনি আন্তর্জাতিক শক্তি সম্পদের সরবরাহ ব্যবস্থার ওপরও নেতিবাচক চাপ তৈরি করতে পারে।