মৌলভীবাজারের সদর থানায় দায়েরকৃত একটি কিশোরী ধর্ষণ মামলার একমাত্র পলাতক আসামি রাহিম মিয়াকে (২৩) গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-৯। সোমবার (২০ এপ্রিল) সন্ধ্যায় শ্রীমঙ্গল থানাধীন কালাপুর এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
ঘটনার বিবরণ
মামলা ও র্যাব সূত্রে জানা যায়, ভিকটিম ও অভিযুক্ত রাহিম মিয়া মৌলভীবাজার সদর উপজেলার মির্জাপুর এলাকার প্রতিবেশী। প্রতিবেশী হওয়ার সুবাদে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ২ মার্চ ভোরে রাহিম ওই কিশোরীর ঘরে প্রবেশ করে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাকে ধর্ষণ করে।
সে সময় ভিকটিমের ভাই ঘরে মানুষের শব্দ শুনতে পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে রাহিমকে হাতেনাতে আটক করেন। পরে সামাজিকভাবে বিষয়টি মীমাংসা করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অভিযুক্তের পরিবার তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়। তবে পরবর্তীতে কোনো সুষ্ঠু সমাধান না হওয়ায় ভিকটিমের ভাই বাদী হয়ে মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
র্যাবের অভিযান
মামলা দায়েরের পর থেকেই আসামি রাহিম মিয়া পলাতক ছিল। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় র্যাব-৯ ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং আসামির অবস্থান শনাক্ত করতে গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের একটি আভিযানিক দল সোমবার সাড়ে ৭টার দিকে কালাপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। গ্রেপ্তারকৃত রাহিম মিয়া রঘুনন্দনপুর এলাকার শফিক মিয়ার ছেলে।
পরবর্তী ব্যবস্থা
র্যাব-৯, সিলেটের মিডিয়া অফিসার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য মৌলভীবাজার সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। অপরাধ নির্মূলে র্যাবের এ ধরনের অভিযান ও গোয়েন্দা নজরদারি অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।