সুদানের রাজধানী খারতুমে আধাসামরিক বাহিনী র্যাপিড সাপোর্ট ফোর্সেসের (আরএসএফ) ড্রোন হামলায় ৫ জন সাধারণ মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন।
শনিবার ২ মে মানবাধিকার কর্মীদের আইনি সহায়তা প্রদানকারী সংস্থা ‘ইমারজেন্সি লয়ার্স’ এই প্রাণহানির খবর নিশ্চিত করেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে বিষয়টি উঠে এসেছে।
সংস্থাটির তথ্যমতে, মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে রাজধানীর বুকে এটি দ্বিতীয় দফা ড্রোন হামলার ঘটনা। গত বছর সরকারি বাহিনী খারতূমের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়ার পর সেখানে দীর্ঘ সময় ধরে স্থিতিশীলতা বজায় ছিল, যা এই হামলার মাধ্যমে আবারও বিঘ্নিত হলো।
ইমারজেন্সি লয়ার্স এই নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের জন্য সরাসরি আরএসএফ-কে অভিযুক্ত করে জানিয়েছে, এ ধরনের হামলা স্পষ্টত আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের চরম লঙ্ঘন। তারা আরও উল্লেখ করেছে যে, সাধারণ মানুষের ওপর ধারাবাহিক নির্যাতনের অংশ হিসেবেই এই আক্রমণ চালানো হয়েছে।
জাতিসংঘের পরিসংখ্যানে সুদানের পরিস্থিতির ভয়াবহতা ফুটে উঠেছে। সংস্থাটির হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম তিন মাসেই ড্রোন হামলায় দেশটিতে প্রায় ৭০০ বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত বছর থেকেই খারতুমে আরএসএফ তাদের ড্রোন হামলার পরিধি বাড়িয়েছে। সেসব হামলায় প্রধানত সামরিক ক্যাম্পের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎকেন্দ্র ও পানি সরবরাহ ব্যবস্থার মতো জনকল্যাণমূলক স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। নতুন করে বেসামরিক এলাকায় এই হামলা জনমনে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।