শুক্রবার, 6 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

'তারেক রহমান মুজিববাদের পথ ধরে মোদির কাছে নজরানা দিচ্ছেন'

বিগত ৫৩ বছর ধরে চাপিয়ে দেওয়া মুজিববাদী রাজনৈতিক বয়ান থেকে মুক্ত হয়ে চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশ যখন একটি স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি ও সার্বভৌমত্বের স্বপ্ন দেখছে, তখন বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব পুনরায় সেই একই পথে হাঁটছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

'তারেক রহমান মুজিববাদের পথ ধরে মোদির কাছে নজরানা দিচ্ছেন'
ছবি : সংগৃহীত

বিগত ৫৩ বছর ধরে চাপিয়ে দেওয়া মুজিববাদী রাজনৈতিক বয়ান থেকে মুক্ত হয়ে চব্বিশের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশ যখন একটি স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি ও সার্বভৌমত্বের স্বপ্ন দেখছে, তখন বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব পুনরায় সেই একই পথে হাঁটছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।

তিনি বলেন, যিনি একসময় বিদ্রোহের ডাক দিয়েছিলেন, আজ তারই সন্তান তারেক রহমান মুজিববাদের নীতি অনুসরণ করে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে নজরানা দেওয়ার চেষ্টা করছেন।

আজ সোমবার বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে অবৈধ পুশইন, অব্যাহত সীমান্ত হত্যা ও নির্যাতনের প্রতিবাদে আয়োজিত এক সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিলে তিনি এসব কথা বলেন। ১১ দলীয় ঐক্যের ব্যানারে এই প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়।

সমাবেশে বিএনপি নেতৃত্বের উদ্দেশ্যে কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, তারেক রহমান বা বিএনপির যদি মুজিববাদের ধারায় ফিরে যাওয়ার ইচ্ছা থাকে, তবে তাদের মনে রাখা উচিত তারা কখনোই আওয়ামী লীগের চেয়ে বড় মুজিববাদী হতে পারবেন না। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন, মুজিববাদের এই পথ এ দেশের সাধারণ জনগণের আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী এবং এই রাজনৈতিক লাইনের বিরুদ্ধে দেশের মানুষ প্রয়োজনে আবারও ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

বক্তব্যে দেশের বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ব্যর্থতার তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় প্রশাসন যদি সীমান্তে নির্যাতন, পুশইন বন্ধ করতে এবং দেশের নাগরিকদের জানমালের ন্যূনতম নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়, তবে তাদের সম্মানজনকভাবে পদত্যাগ করা উচিত। অন্যথায় দেশের জনগণই তাদের দায়িত্ব থেকে সরে যেতে বাধ্য করবে।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে আরও বলেন, বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্তর্জাতিক অঙ্গনে জাতিসংঘের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হলেও দেশের সীমান্তে ঘটে যাওয়া অন্যায় ও সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন হওয়ার বিষয়গুলো তার নজরে আসছে না। সরকারের নীতিনির্ধারকদের পাশাপাশি আন্দোলনের অন্যান্য সহযোগীদের প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি সতর্ক করেন, স্বাধিকার ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপস করে যদি কেউ পুনরায় পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থার দিকে পা বাড়ায়, তবে দেশের সচেতন সমাজ তাদের কাউকেই ছাড় দেবে না।