রবিবার, 25 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

তেলের অপচয় এবং মজুত রোধে চালু হচ্ছে ফুয়েল কার্ড

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তীব্র জ্বালানি সংকটে পেট্রোলপাম্পগুলোতে তেলের অভাব দেখা দিয়েছে। কোথাও তেল মিললেও সেখানে দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে চালকদের। এমন পরিস্থিতিতে সব ধরনের যানবাহনের জন্য ‘ফুয়েল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার।

তেলের অপচয় এবং মজুত রোধে চালু হচ্ছে ফুয়েল কার্ড

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় তীব্র জ্বালানি সংকটে পেট্রোলপাম্পগুলোতে তেলের অভাব দেখা দিয়েছে। কোথাও তেল মিললেও সেখানে দীর্ঘ লাইনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে চালকদের। এমন পরিস্থিতিতে সব ধরনের যানবাহনের জন্য ‘ফুয়েল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার।

জ্বালানি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে। কর্মকর্তারা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দ্রুত শেষ না হলে বাংলাদেশের মতো আমদানিনির্ভর দেশগুলোকে বড় ধরনের চাপের মুখে পড়তে হবে। বিশ্ববাজারে সরবরাহ কমে গেলে তেলের দাম বাড়বে, তবে সেই চাপ পুরোপুরি ভোক্তাদের ওপর চাপানো সম্ভব হবে না।

এই প্রেক্ষাপটে তেলের অপচয় ও মজুত নিয়ন্ত্রণে ফুয়েল কার্ড চালুর বিকল্প দেখছে না সরকার। পরিকল্পনা অনুযায়ী, মোটরসাইকেল, ব্যক্তিগত গাড়ি, ট্রাক বা বাস—সব যানবাহন নির্ধারিত চাহিদা অনুযায়ী এই কার্ড ব্যবহার করে জ্বালানি নিতে পারবে। প্রতিটি কার্ডের সঙ্গে একটি কিউআর কোড থাকবে, যার মাধ্যমে নির্দিষ্ট পাম্প থেকে তেল সংগ্রহ করা যাবে। তবে এই ব্যবস্থা চালু করতে কিছুটা সময় লাগবে বলে জানা গেছে।

ফুয়েল কার্ড কী?
ফুয়েল কার্ড বা ফ্লিট কার্ড হলো এমন একটি বিশেষ পেমেন্ট কার্ড, যা পেট্রোল, ডিজেলসহ বিভিন্ন জ্বালানি কেনার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত কোম্পানি বা যানবাহনের মালিকরা ব্যবহার করে থাকেন এবং ক্রেডিট বা ডেবিট কার্ডের মতোই কাজ করে। এর মাধ্যমে জ্বালানি খরচ পর্যবেক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ এবং নগদবিহীন লেনদেন সহজ হয়।

মূল সুবিধা ও বৈশিষ্ট্য:

  • সহজ পেমেন্ট ও ট্র্যাকিং: কার্ড ব্যবহার করে দ্রুত পেমেন্ট করা যায় এবং প্রতিটি লেনদেনের রেকর্ড সংরক্ষণ করা সম্ভব।

  • খরচ নিয়ন্ত্রণ: নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করে জ্বালানি খরচ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

  • রিপোর্টিং সুবিধা: ডিজিটালভাবে জ্বালানি ব্যবহারের বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়।

  • নিরাপত্তা: নির্দিষ্ট গাড়ি বা চালকের সঙ্গে কার্ড সংযুক্ত থাকায় অপব্যবহার কমে।

  • সময়ের সাশ্রয়: কাগজের রসিদ রাখার ঝামেলা কমে এবং একত্রে বিল পরিশোধের সুযোগ থাকে।