শনিবার, 7 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

যশোরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন

যশোরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করা হয়েছে।

যশোরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ  উদযাপন
ছবিঃ সংগৃহীত

যশোরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন করা হয়েছে।

পহেলা বৈশাখ মঙ্গলবার সকাল ৬টা ৩১ মিনিটে যশোর পৌর উদ্যানে উদীচীর বৈশাখী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নববর্ষের যাত্রা সূচিত হয়। সকাল সাড়ে ৮টায় টাউন হল ময়দান থেকে বের হয় বৈশাখী শোভাযাত্রা। রং-বেরঙের পোশাক পরে পশুপাখির প্রতিকৃতি ও মুখোশ নিয়ে হাজারো মানুষ এ শোভাযাত্রায় শামিল হন। তবে বৈশাখী শোভাযাত্রার আগে ও পরে সব বয়সী মানুষের ঢল নামে পৌর উদ্যানে। সেখানে উদীচীর সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সব বয়সের হাজার হাজার নারী, পুরুষ ও শিশু মিলিত হন প্রাণের উৎসবে।

পহেলা বৈশাখে ঢাক-ঢোলের তালে তালে, নানান রঙের ব্যানার, ফেস্টুন, মুখোশ, মুকুট আর বর্ণিল সাজ-পোশাকে পৌর উদ্যান পরিপূর্ণ হয়ে যায়। প্রাণের উচ্ছ্বাসে ভেসে সব বয়সের নারী, পুরুষ ও শিশু উৎসবমুখর পরিবেশে মিলেমিশে একাকার হয়ে যান পৌর উদ্যানে। ‘নববর্ষের ঐকতান গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’—এই প্রতিপাদ্যে সর্বজনীন উৎসব, প্রাণের উৎসব পহেলা বৈশাখ উদযাপিত হচ্ছে যশোরে। সকাল সাড়ে আটটায় টাউন হল মাঠের রওশন আলী মঞ্চের বটমূলে সমবেত জাতীয় সংগীতের মধ্য দিয়ে শুরু হয় প্রশাসন আয়োজিত পহেলা বৈশাখের মূল অনুষ্ঠান বৈশাখী শোভাযাত্রা। এরপর ‘এসো হে বৈশাখ এসো এসো’ গানের মধ্য দিয়ে শুরু হয় বৈশাখী শোভাযাত্রার সূচনা লগ্ন। শোভাযাত্রাটি টাউন হল মাঠ থেকে শুরু হয়ে জজ কোর্টের মোড়, দড়াটানা, চৌরাস্তা, জেলরোড, আদ-দ্বীন হসপিটাল, টিএন্ডটি অফিস রোড হয়ে আবারো রওশন আলী বটমূলের কাছে এসে শেষ হয়। এরপর শিল্পকলা একাডেমির শিল্পীদের পরিবেশনায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।

শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আশেক হাসান, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকনসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।