শুক্রবার, 6 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

যুক্তরাষ্ট্রের হরমুজ প্রণালি অবরোধ পরিকল্পনায় থাকছে না ন্যাটো মিত্ররা

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে পরিচালিত ছয় সপ্তাহের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে কঠোর সামুদ্রিক অবরোধের ঘোষণা দিয়েছেন। তবে ওয়াশিংটনের প্রত্যাশা অনুযায়ী এই অভিযানে সরাসরি অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ন্যাটোর প্রভাবশালী মিত্র দেশগুলো। ন্যাটোর সদস্য রাষ্ট্রগুলো স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির অবসান না হওয়া পর্যন্ত তারা এই ধরণের কোনো প্রক্রিয়ায় নিজেদের সম্পৃক্ত করবে না।

যুক্তরাষ্ট্রের হরমুজ প্রণালি অবরোধ পরিকল্পনায় থাকছে না ন্যাটো মিত্ররা
ছবিঃ সংগৃহীত

ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে পরিচালিত ছয় সপ্তাহের আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালিতে কঠোর সামুদ্রিক অবরোধের ঘোষণা দিয়েছেন। তবে ওয়াশিংটনের প্রত্যাশা অনুযায়ী এই অভিযানে সরাসরি অংশ নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ন্যাটোর প্রভাবশালী মিত্র দেশগুলো। ন্যাটোর সদস্য রাষ্ট্রগুলো স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতির অবসান না হওয়া পর্যন্ত তারা এই ধরণের কোনো প্রক্রিয়ায় নিজেদের সম্পৃক্ত করবে না।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বিবিসি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্রিটেনের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তিনি জানান, লন্ডনের ওপর এই বিষয়ে যথেষ্ট আন্তর্জাতিক চাপ থাকলেও এই মুহূর্তে তারা কোনো যুদ্ধের অংশ হতে আগ্রহী নন। ব্রিটেন সরাসরি এই নৌ-অবরোধ সমর্থন করছে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। যুক্তরাজ্যের পদাঙ্ক অনুসরণ করে জার্মানি, স্পেন, ইতালি, পোল্যান্ড এবং গ্রিসও এই অভিযানে তাদের নৌবাহিনী পাঠাতে অনীহা প্রকাশ করেছে। মিত্র দেশগুলোর এমন সম্মিলিত প্রত্যাখ্যানের ফলে ন্যাটো জোটের অভ্যন্তরীণ সম্পর্কে বড় ধরনের টানাপোড়েন সৃষ্টি হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে, ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে একটি ভিন্নধর্মী প্রস্তাব পেশ করেছেন। তিনি জানান, ফ্রান্স ব্রিটেন ও অন্যান্য সমমনা দেশগুলোর সাথে সমন্বয় করে একটি বহুজাতিক মিশন গঠনের পরিকল্পনা করছে। তবে এই মিশনের উদ্দেশ্য ট্রাম্পের পরিকল্পনার মতো আক্রমণাত্মক কোনো অভিযান হবে না; বরং হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং শান্তি রক্ষা করাই হবে এর মূল লক্ষ্য। ম্যাক্রোঁ জোর দিয়ে বলেন, পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে তারা কেবল আত্মরক্ষামূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নেবেন, যা মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরাসরি সংঘাতের নীতির তুলনায় সম্পূর্ণ পৃথক একটি অবস্থান।