আর্কাইভ
ads
logo

‎জাবির ছাত্রী হলের কক্ষ থেকে মাদক জব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশকাল: ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৪০ এ.এম
‎জাবির ছাত্রী হলের কক্ষ থেকে মাদক জব্দ

ছবি : সংগৃহীত

ads

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব ফয়জুন্নেসা হলের একটি কক্ষ থেকে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য উদ্ধার করেছে হল প্রশাসন। এ সময় নেশাজাতীয় দ্রব্য ও ঘুমের ওষুধ সেবনরত অবস্থায় অন্য হলের এক ছাত্রীকে আটক করা হয়। শনিবার ১৮ এপ্রিল সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ওই কক্ষে অভিযান চালিয়ে মাদকসহ বহিরাগত ছাত্রীকে ধরা হয়।

আটককৃত শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৮তম আবর্তনের এবং তিনি বেগম খালেদা জিয়া হলের আবাসিক ছাত্রী বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। নওয়াব ফয়জুন্নেসা হল প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, হলে বহিরাগত এক ছাত্রীর অবস্থানের খবর পেয়ে হল সংসদের জিএস হল কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানান। এর প্রেক্ষিতে ওয়ার্ডেন অধ্যাপক সুলতানা আক্তারের নেতৃত্বে কক্ষটিতে তল্লাশি চালানো হয়। পরে খালেদা জিয়া হলের সাধারণ সম্পাদক ফাতিমা তুজ জহুরা ঘটনাস্থলে গিয়ে ওই ছাত্রীকে নিয়ে যান।

ফাতিমা তুজ জহুরা জানান, পারিবারিক সমস্যার কারণে ওই ছাত্রী অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খেয়ে সেখানে কান্নাকাটি করছিলেন। আত্মহত্যার আশঙ্কায় এবং শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে তাকে দ্রুত ঢাকার বাসায় পাঠানো হয়েছে। তবে তিনি সেখানে কাউকে গাঁজা সেবনরত অবস্থায় দেখেননি বলে দাবি করেন। অন্যদিকে নওয়াব ফয়জুন্নেসা হল সংসদের জিএস সুমাইয়া খানম অভিযোগ করেছেন, ওই কক্ষের ছাত্রী প্রায়ই বহিরাগতদের হলে নিয়ে আসতেন এবং তিনি মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত বলেও লোকমুখে শোনা যায়। এবার হাতেনাতে ধরা পড়ার পর তিনি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

নওয়াব ফয়জুন্নেসা হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা জানিয়েছেন, কক্ষটিতে অভিযান চালিয়ে মাদক উদ্ধারের ঘটনাটি সত্য। বিষয়টি গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখতে ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক মঞ্জুর ইলাহি বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী বর্তমানে তাদের হলে নেই। তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম জানান, হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ যথাযথ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। তবে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী ও ওই কক্ষের বরাদ্দপ্রাপ্ত ছাত্রীর মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। গঠিত তদন্ত কমিটিতে অধ্যাপক সুলতানা আক্তারকে আহ্বায়ক এবং হলের ডেপুটি রেজিস্ট্রার মো. ইয়ার হোসেনকে সদস্য-সচিব করা হয়েছে। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন রাশেদা খাতুন, নাদিয়া সুলতানা ও শাহনাজ আক্তার।

ads

এই বিভাগের আরও খবর

এই বিভাগের আরও খবর

ads
ads
manusherkotha

manusherkotha

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ