আর্কাইভ
ads
logo

রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল দালাল মুক্ত করা হবে : প্রতিমন্ত্রী খৈয়ম

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশকাল: ১২ মে ২০২৬, ১০:৪০ এ.এম
রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল দালাল মুক্ত করা হবে : প্রতিমন্ত্রী খৈয়ম

ছবি : সংগৃহীত

ads

রাজবাড়ী সদর হাসপাতাল থেকে দালালদের দৌরাত্ম্য পুরোপুরি নির্মূল করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী ও রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।

সোমবার বিকেলে হাসপাতালের সভাকক্ষে আয়োজিত হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির এক সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। সভায় হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়ন, জনবল সংকট দূরীকরণ এবং অবকাঠামোগত বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বলেন, রাজবাড়ীবাসীর উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে সদর হাসপাতালকে ঢেলে সাজানো হবে। বর্তমানে বিদ্যমান চিকিৎসক সংকটসহ অন্যান্য প্রতিকূলতা দ্রুত কাটিয়ে ওঠার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও জানান, জেলায় একটি মেডিকেল কলেজ স্থাপনের লক্ষ্যে খুব শীঘ্রই সরকারের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পাঠানো হবে, যা বাস্তবায়িত হলে এ অঞ্চলের চিকিৎসা সেবায় আমূল পরিবর্তন আসবে।

হাসপাতালের শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে প্রতিমন্ত্রী ঘোষণা দেন যে, হাসপাতাল প্রাঙ্গণকে সম্পূর্ণ দালালমুক্ত করা হবে এবং চিহ্নিত দালালদের একটি তালিকা তৈরি করা হবে। এছাড়া হাসপাতালের পরিবেশ রক্ষায় বাগান করা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখার ওপর জোর দেন তিনি। নিয়ম অনুযায়ী হাসপাতাল চত্বরে কোনো বেসরকারি অ্যাম্বুলেন্স অবস্থান করতে পারবে না এবং মোটরসাইকেল পার্কিংয়ের জন্য নির্দিষ্ট স্থান ব্যবহার করতে হবে। ২৫০ শয্যা চালুর প্রশাসনিক অনুমোদন থাকলেও প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সাপোর্টের যে অভাব রয়েছে, তা দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি।

হাসপাতালের সহকারী সার্জন ডা. রাজিব দে সরকারের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক আফরোজা পারভীন, সিভিল সার্জন ডা. এস এম মাসুদ, হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. শেখ মোহাম্মদ আব্দুল হান্নান এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শামসুল হকসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ। সভায় বক্তারা চিকিৎসাসেবা আরও গতিশীল ও জনবান্ধব করার লক্ষ্যে সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

উক্ত সভায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—মেডিকেল কলেজ স্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু করা, হাসপাতালের নতুন ভবনের অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করা, প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ও চিকিৎসা সরঞ্জাম দ্রুত কেনা, আউটসোর্সিংয়ের মাধ্যমে জনবল বৃদ্ধি এবং হাসপাতালে আনসার সদস্য নিয়োগ করা। রোগীদের সুবিধার্থে একটি নির্দিষ্ট অ্যাম্বুলেন্স কাউন্টার স্থাপন এবং চালক সংখ্যা বাড়ানোর বিষয়েও ঐকমত্য পোষণ করা হয়। সভা শেষে প্রতিমন্ত্রী হাসপাতালকে একটি আধুনিক ও মানবিক সেবাকেন্দ্রে পরিণত করতে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

ads

এই বিভাগের আরও খবর

ads
ads
manusherkotha

manusherkotha

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ