টানা ইতিবাচক ধারায় দেশের বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় বা রিজার্ভের পরিমাণ আরও এক দফা বৃদ্ধি পেয়েছে। সবশেষ অগ্রগতি অনুযায়ী, বর্তমান মোট রিজার্ভের পরিমাণ উন্নীত হয়েছে ৩৪ হাজার ৫৩৯ দশমিক ০৮ মিলিয়ন বা ৩৪ দশমিক ৫৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে।
গতকাল শুক্রবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ তথ্যের বরাতে এই সুসংবাদটি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
বাংলাদেশ ব্যাংকের আর্থিক হিসাব বিবরণী পর্যালোচনা করে দেখা যায়, চলতি মে মাসের ২১ তারিখ পর্যন্ত দেশের গ্রস বা মোট রিজার্ভের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ৫৩৯ দশমিক ০৮ মিলিয়ন ডলার। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রণীত ব্যালেন্স অব পেমেন্ট ম্যানুয়াল বা বিপিএম-৬ পদ্ধতি অনুসরণ করে হিসাব করলে বর্তমান রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়ায় ২৯ হাজার ৮৭৯ দশমিক ৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে।
এর ঠিক এক দিন আগে অর্থাৎ গত ২০ মে পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ব্যাংকে গ্রস রিজার্ভের পরিমাণ সংরক্ষিত ছিল ৩৪ হাজার ৩৭Meta দশমিক ৫৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আর সেই সময় আইএমএফের বিপিএম-৬ পরিমাপ অনুযায়ী সঞ্চিত অর্থের পরিমাণ ছিল ২৯ হাজার ৭১৯ দশমিক ৪৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। অর্থাৎ মাত্র চব্বিশ ঘণ্টার ব্যবধানে রিজার্ভের দুই সূচকেই ভালো অগ্রগতি হয়েছে।
অর্থনৈতিক নিয়ম অনুযায়ী, একটি দেশের নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ নির্ধারণ করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে থাকা মোট রিজার্ভের অঙ্ক থেকে স্বল্পমেয়াদি বিভিন্ন বৈদেশিক দায়-দেনা বা ঋণ বাদ দিলে যে প্রকৃত উদ্বৃত্ত অর্থ অবশিষ্ট থাকে, সেটিকে মূলত নিট রিজার্ভ হিসেবে গণ্য করা হয়। বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ ও বাজারের অস্থিরতার মধ্যেও রিজার্ভের এই ধারাবাহিক বৃদ্ধি দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির জন্য স্বস্তিদায়ক বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।







