শেয়ারবাজারে অর্থপাচার ও সন্ত্রাসবাদে অর্থায়ন প্রতিরোধে নজরদারি আরও জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) পরিচালক সৈয়দ কামরুল ইসলাম।
তিনি জানান, পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা রক্ষা এবং অবৈধ অর্থের প্রবাহ বন্ধে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা ও সচেতনতা বৃদ্ধি এখন সময়ের দাবি।
বুধবার রাজধানীর নিকুঞ্জে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ভবনে আয়োজিত এক যৌথ কর্মশালায় তিনি এসব কথা বলেন। বিএফআইইউ, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এবং ডিএসই যৌথভাবে ‘স্থিতিশীল শেয়ারবাজার: এএমএল/সিএফটি আইনের পরিপালন ও ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা’ শীর্ষক এই কর্মশালার আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএসইসির অতিরিক্ত পরিচালক মো. ওহিদুল ইসলাম বলেন, অর্থপাচার ও অবৈধ অর্থপ্রবাহ কেবল শেয়ারবাজার নয়, বরং পুরো আর্থিক খাতের জন্য হুমকিস্বরূপ। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ধরে রাখতে বাজারে স্বচ্ছতা ও শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণ কাঠামো নিশ্চিত করা জরুরি।
সভাপতির বক্তব্যে ডিএসইর ভারপ্রাপ্ত সিআরও মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া বলেন, একটি নিরাপদ ও টেকসই পুঁজিবাজার গঠনে এএমএল এবং সিএফটি আইনের কার্যকর বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই। এজন্য প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর দক্ষ জনবল তৈরি করা আবশ্যক।
কর্মশালায় মোট চারটি ওয়ার্কিং সেশনে অর্থপাচার প্রতিরোধ, সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্তকরণ এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণের বিভিন্ন কারিগরি দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। বিএফআইইউ ও বিএসইসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এসব সেশনে অংশীজনদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। মূলত শেয়ারবাজারকে পুঁজি করে কেউ যাতে অর্থপাচার করতে না পারে, সেজন্য সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আরও সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয় এই অনুষ্ঠান থেকে।







