দক্ষিণ-পশ্চিম পাকিস্তানে কর্মরত চীনা নাগরিক এবং বেইজিংয়ের অর্থায়নে পরিচালিত বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের ওপর সাম্প্রতিক জঙ্গি হামলাগুলো চীনের নীতিনির্ধারকদের বেশ অসন্তুষ্ট করেছে। এর পাশাপাশি আমেরিকার সঙ্গে পাকিস্তানের ক্রমবর্ধমান ঘনিষ্ঠতাও দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সমীকরণকে কিছুটা স্পর্শকাতর করে তুলেছে।
তবে এই ধরনের পরিস্থিতির মাঝেও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, বৈশ্বিক রাজনীতি বা আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি যেভাবে এবং যেদিকেই মোড় নিক না কেন, নিজেদের প্রতিবেশী কূটনীতিতে ইসলামাবাদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নকে চীন সবসময়ই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে থাকে।
চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিসিটিভির এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে পাকিস্তানের সঙ্গে কৃষি খাতের আধুনিকায়ন, শিল্পায়ন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সম্প্রসারণ এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরির ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
সংবাদমাধ্যমের ওই প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, দুই দেশের যৌথ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে একটি সুদৃঢ় চীন-পাকিস্তান কমিউনিটি গড়ে তুলতে বেইজিং আন্তরিকভাবে কাজ করতে আগ্রহী। এই লক্ষ্য অর্জনে উচ্চপর্যায়ের দ্বিপাক্ষিক সফর অব্যাহত রাখা এবং কৌশলগত যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও গতিশীল করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন শি জিনপিং।
চীনের এই ইতিবাচক বার্তার জবাবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ দুই দেশের সম্পর্ককে অনন্য হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি চীন ও পাকিস্তানকে দুটি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য ও অবিচ্ছেদ্য লৌহ ভাই রাষ্ট্র হিসেবে মন্তব্য করেন।







