মাত্র ১০ টাকার পাওনাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধ শেষ পর্যন্ত রূপ নেয় মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডে। ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়ায় আয়েশা খাতুন হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত মো. জহিরুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-১৪।
র্যাবের তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (১০ জুন) রাত ১টার দিকে গাজীপুর সদর উপজেলার ভোগড়া বাইপাস এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। গ্রেপ্তার হওয়া জহিরুল ইসলাম ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার বাকতা ইউনিয়নের কৈয়ারচালা গ্রামের বাসিন্দা।
র্যাব জানায়, গত ১৪ এপ্রিল বিকেলে একই গ্রামের বাসিন্দা আয়েশা খাতুন (৪০) নিহত হন। তদন্তে জানা যায়, নিহতের ছেলে আশিক মিয়ার কাছে জহিরুল ইসলামের ১০ টাকা পাওনা ছিল। এই সামান্য অর্থ নিয়ে দুইজনের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শুরু হয়, যা একপর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়।
ঘটনার সময় ছেলেকে থামাতে এবং পরিস্থিতি শান্ত করতে এগিয়ে আসেন আশিকের মা আয়েশা খাতুন। অভিযোগ অনুযায়ী, তখন তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়। গুরুতর আঘাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহত আয়েশা খাতুনের সঙ্গে অভিযুক্ত জহিরুল ইসলামের পারিবারিক সম্পর্কও রয়েছে। তিনি নিহতের স্বামীর বড় ভাইয়ের ছেলে।
ঘটনার পরদিন, ১৫ এপ্রিল নিহতের মা বাদী হয়ে ফুলবাড়িয়া থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকেই অভিযুক্ত আত্মগোপনে ছিলেন।
র্যাব-১৪ ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সামসুজ্জামান জানান, প্রযুক্তিগত অনুসন্ধানের মাধ্যমে জহিরুল ইসলামের অবস্থান শনাক্ত করা হয়। পরে অভিযান চালিয়ে তাকে গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাস এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তারের পর বৃহস্পতিবার অভিযুক্তকে ফুলবাড়িয়া থানার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।







