আর্কাইভ
ads
logo

নৌকাডুবিতে ৫০০-র বেশি রোহিঙ্গার মৃত্যুর আশঙ্কা: জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশকাল: ১৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৪ পি.এম
নৌকাডুবিতে ৫০০-র বেশি রোহিঙ্গার মৃত্যুর আশঙ্কা: জাতিসংঘ

নৌকাডুবির ‘‘ঘটনা এবং হতাহতের সংখ্যা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি'' জানিয়ে ‘ব্যাপক প্রাণহানির' আশঙ্কা থাকায় এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউএনএইচসিআর ও আইওএম৷ ছবি: রয়টার্স

ads

উন্নত জীবন ও নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে উত্তাল সাগরে ভাসতে গিয়ে আবারও এক ভয়াবহ ট্র্যাজেডির মুখোমুখি হয়েছেন শত শত রোহিঙ্গা। জুন মাসের শেষভাগে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে রওনা হওয়া দুটি নৌযানের যাত্রীদের ‘ব্যাপক প্রাণহানির’ আশঙ্কা প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের দুটি অঙ্গসংস্থা। 

আজ বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এবং জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা (ইউএনএইচসিআর) এক যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে এই উদ্বেগের কথা জানায়। সংস্থা দুটির দাবি, ওই নৌযানগুলোর আরোহীদের বড় অংশই জাতিগত সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা এবং তাদের মধ্যে বাংলাদেশের শরণার্থী শিবির থেকে সাগরপথে পাড়ি জমানো কিছু মানুষও ছিলেন।

যৌথ বিবৃতিতে সংস্থা দুটি স্পষ্ট করেছে যে, এই নৌকাডুবির ‘‘ঘটনা এবং হতাহতের সংখ্যা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়নি’’

তবে আরোহীদের ভাগ্যে ঠিক কী ঘটেছে তা নিয়ে গভীর সংশয় ও উদ্বেগ কাটছে না।

আইওএম ও ইউএনএইচসিআর-এর দেওয়া তথ্যানুযায়ী, সাম্প্রতিক এই দুটি সম্ভাব্য সলিলসমাধির ঘটনার মধ্যে প্রথম নৌকাটিতে প্রায় ২৫০ জন যাত্রী সওয়ার ছিলেন। তবে সাগরে যাত্রা করার কিছুদিনের মধ্যেই সেটির সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। অন্য দিকে, প্রায় ২৮০ জন আরোহী নিয়ে যাত্রা করা দ্বিতীয় নৌযানটি গত ৮ জুলাই মিয়ানমারের ইরাবতী উপকূলের কাছাকাছি এলাকায় সাগরে তলিয়ে গেছে বলে প্রবল আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিপজ্জনক আবহাওয়ায় এই যাত্রার বিষয়ে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়,

‘‘এই যাত্রাগুলো সাধারণ নৌ-চলাচলের মৌসুমের বাইরে হয়েছিল৷ এমন সময়ে সমুদ্রের পরিস্থিতি সাধারণত অনেক বিপজ্জনক থাকে৷’’

মিয়ানমারে চলমান জাতিগত সহিংসতা এবং বাংলাদেশের কক্সবাজারের জনাকীর্ণ শরণার্থী শিবিরগুলোর চরম অমানবিক ও দুর্বিষহ পরিস্থিতির কারণে প্রতি বছরই ভাগ্যবিড়ম্বিত এই মুসলিম সংখ্যালঘুরা কাঠের তৈরি নড়বড়ে নৌকায় চড়ে জীবনের চরম ঝুঁকি নিচ্ছেন। সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ উপেক্ষা করে জীবন বাঁচানোর তাগিদে মূলত মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া ও থাইল্যান্ডের মতো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন তারা।


ads

এই বিভাগের আরও খবর

এই বিভাগের আরও খবর

ads
ads
manusherkotha

manusherkotha

সর্বশেষ খবর

হাইলাইটস

বিশেষ সংবাদ