শরীয়তপুরের নড়িয়া এলাকায় গৃহকর্তাকে জিম্মি করে স্ত্রীকে দলবদ্ধভাবে নির্যাতনের ন্যাক্কারজনক অভিযোগ উঠেছে। এই মর্মান্তিক ঘটনার সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগে তিন ব্যক্তিকে আটক করে বিজ্ঞ আদালতের আদেশে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাহার মিয়া গত মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আইনশৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আটক ব্যক্তিরা হলেন—হজরত আলী খন্দকার, রাব্বি বেপারী এবং তাদের সহযোগী হিসেবে পরিচিত ইমন খন্দকার।
পুলিশ প্রধান জানান, গত সোমবার রাতের শেষভাগে আনুমানিক সাড়ে ১১টা নাগাদ উপজেলার ভোজেশ্বর প্রশাসনিক এলাকা থেকে জাতীয় জরুরি সেবার নম্বরে একটি বার্তা পাঠানো হয়। বার্তা পেয়েই দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে সংশ্লিষ্ট দম্পতিকে উদ্ধার করে। পরবর্তীতে ভুক্তভোগী নারীকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য শরীয়তপুর জেলা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে।
চিকিৎসাধীন নারীর বরাতে থানা কর্তৃপক্ষ জানায়, চক্রান্তের মাধ্যমে তার স্বামীকে একটি স্থানে ডেকে নিয়ে জিম্মি করা হয়। পরবর্তীতে আটক স্বামীর ব্যবহৃত মুঠোফোন দিয়েই তার স্ত্রীর কাছ থেকে বড় অঙ্কের অর্থ দাবি করে দুষ্কৃতকারীরা। দাবিকৃত অর্থ নিয়ে নির্দিষ্ট স্থানে পৌঁছানোর পর সেখানে উপস্থিত স্থানীয় বাসিন্দা হজরত আলী খন্দকার ও রাব্বি বেপারী তাকে জবরদস্তিমূলকভাবে শারীরিক নির্যাতন চালায় বলে লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগ প্রাপ্তির পর গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ অভিযুক্ত হজরত আলী খন্দকার, রাব্বি বেপারী এবং ঘটনায় সহায়তাকারী ইমন খন্দকারকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।







