বুধবার, 4 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

সরকারের অপরিপক্ব সিদ্ধান্তেই শ্রমিক আন্দোলন এ পর্যায়ে: জাতীয় শ্রমিক শক্তি

চলমান মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির প্রতি পূর্ণ সংহতি জানিয়েছে জাতীয় শ্রমিক শক্তি। একই সঙ্গে আন্দোলনে সহিংসতা ও বলপ্রয়োগ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। তাদের দাবি, আগামী তিন দিনের মধ্যে নতুন বেতনকাঠামো কার্যকর করতে হবে।

সরকারের অপরিপক্ব সিদ্ধান্তেই শ্রমিক আন্দোলন এ পর্যায়ে: জাতীয় শ্রমিক শক্তি
ছবি: সংগৃহীত

চলমান মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলনে শ্রমিকদের ন্যায্য দাবির প্রতি পূর্ণ সংহতি জানিয়েছে জাতীয় শ্রমিক শক্তি। একই সঙ্গে আন্দোলনে সহিংসতা ও বলপ্রয়োগ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি। তাদের দাবি, আগামী তিন দিনের মধ্যে নতুন বেতনকাঠামো কার্যকর করতে হবে।

গতকাল মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে এসব দাবি তুলে ধরেন জাতীয় শ্রমিক শক্তির নেতারা। এতে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির রাজনৈতিক পর্ষদের সদস্য ও সংসদ সদস্য আবদুল হান্নান মাসউদ।

তিনি বলেন, সরকার ও মালিকপক্ষ মজুরি বোর্ড গঠনের নামে দলীয়করণ করে নিজেদের লোক নিয়োগ করেছে। শ্রমিকেরা তা মেনে নিচ্ছেন না। সরকারের বিভিন্ন সময়ে নেওয়া অপরিপক্ব সিদ্ধান্তের কারণেই আন্দোলন বর্তমান পর্যায়ে পৌঁছেছে। শিল্প রক্ষার স্বার্থে বর্তমান বাজারদরের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শ্রমিকদের মজুরি বাড়াতে হবে।

জাতীয় শ্রমিক শক্তির আহ্বায়ক মাজহারুল ইসলাম ফকির বলেন, ‘আগে থেকেই আমরা মজুরি বোর্ড গঠন করে নতুন মজুরি নির্ধারণের দাবি জানিয়ে আসছি। অথচ এই কাজে শ্রমমন্ত্রী ব্যর্থ হয়েছেন। আমরা ব্যর্থ শ্রমমন্ত্রীর পদত্যাগ চাই। আগামী তিন দিনের মধ্যে নতুন মজুরি নির্ধারণ করতে হবে।’

সংগঠনটির সদস্যসচিব রিয়াজ মোর্শেদ বলেন, ‘প্রশাসনের ভাইদের কাছে অনুরোধ, আপনারা শ্রমিকদের আন্দোলনে হামলা করবেন না। আমরা আওয়ামী আমলের পুলিশ দেখতে চাই না।’

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা অভিযোগ করেন, বিভিন্ন স্থানে বিএনপির নেতা-কর্মী ও পুলিশের যৌথ মদদে শ্রমিকদের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে। এ ধরনের দমন-পীড়ন অব্যাহত থাকলে সাধারণ শ্রমিকদের চলমান আন্দোলন আরও ব্যাপক ও ভিন্ন রূপ নিতে পারে বলে সতর্ক করেন তাঁরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকারকে দ্রুত সহনশীল ভূমিকা নেওয়ার আহ্বান জানান বক্তারা।

সংবাদ সম্মেলনে বর্তমান বাজারদরের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে শ্রমিকদের জীবনযাত্রার ব্যয় নির্বাহের উপযোগী ন্যায্য মজুরি মেনে নেওয়ার জন্য জোর দাবি জানানো হয়।