বৃহস্পতিবার, 15 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

ইরানে ফের হামলার প্রস্তুতি, ইসরায়েলে বাড়ছে মার্কিন সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম

ইরানে নতুন করে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে কিংবা এককভাবেও হামলা চালানো হতে পারে। চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে ইসরায়েলে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের আগেই এ হামলা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে হামলার সম্ভাবনা তুলনামূলক কম।

ইরানে ফের হামলার প্রস্তুতি, ইসরায়েলে বাড়ছে মার্কিন সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম

ইরানে নতুন করে হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে কিংবা এককভাবেও হামলা চালানো হতে পারে। চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে ইসরায়েলে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনের আগেই এ হামলা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে হামলার সম্ভাবনা তুলনামূলক কম।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে। একই সঙ্গে মার্কিন সামরিক বাহিনীর সঙ্গে গোয়েন্দা ও সামরিক কার্যক্রম নিয়ে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে তারা।

ইসরায়েল সম্ভাব্য আগাম হামলার পাশাপাশি ইরানের পক্ষ থেকে কোনো হামলা হলে তার জবাব দেওয়ার প্রস্তুতিও নিচ্ছে। তবে নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ইসরায়েল বা যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালানোর সম্ভাবনা কম বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিকে এখনও বড় ধরনের উদ্বেগের বিষয় হিসেবে দেখছে ইসরায়েল।

এদিকে, মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কায় আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ইসরায়েলে অতিরিক্ত সেনা ও সামরিক বিমান পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে ইসরায়েলজুড়ে প্রায় ৩ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। তাদের মধ্যে বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনাকারী সেনা, পাইলট, সহায়তাকারী কর্মী এবং লজিস্টিক বা সরবরাহ ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত সদস্যরা রয়েছেন।

আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে আরও মার্কিন সেনা ও সামরিক বিমান ইসরায়েলে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এর মাধ্যমে অঞ্চলটিতে নিজেদের সামরিক উপস্থিতি আরও জোরদার করছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সময়ে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য নতুন সংঘাত বা আঞ্চলিক উত্তেজনা দ্রুত অবনতির পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুতি অব্যাহত রেখেছে। এ ক্ষেত্রে তারা মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয় বজায় রাখছে।

এমন পরিস্থিতিতে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বলেছেন, তেহরান কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে প্রস্তুত। এর লক্ষ্য একটি ‘ন্যায্য সমাধানে’ পৌঁছানো।

সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে অনুষ্ঠিত বৈঠকগুলোতে কাতারের মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সাতটি শর্ত তুলে ধরেছিল ইরান। এসব শর্তের মধ্যে হরমুজ প্রণালি খোলার বিষয়টিও ছিল।

পরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ওয়াশিংটন ইরানের এসব শর্ত গ্রহণ করেনি।