শনিবার, 7 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাকে (সার্ক) পুনরায় সক্রিয় ও কার্যকর করে তোলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সুদৃঢ় অবস্থানের কথা পুনরুল্লেখ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাকে (সার্ক) পুনরায় সক্রিয় ও কার্যকর করে তোলার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সুদৃঢ় অবস্থানের কথা পুনরুল্লেখ করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।

আঞ্চলিক এই জোটকে পূর্ণ গতিশীল করতে ধারাবাহিক রাজনৈতিক পদক্ষেপ, সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান এবং বহুমুখী অংশীদারিত্ব প্রসারের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন তিনি।


পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, পররাষ্ট্র দপ্তরে সংস্থাটির বিদায়ী মহাসচিব রাষ্ট্রদূত গোলাম সারোয়ার প্রতিমন্ত্রীর সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হলে শামা ওবায়েদ জোট কেন্দ্রিক এই মনোভাব ব্যক্ত করেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ভবিষ্যতে আরও বলিষ্ঠ ও অনুঘটকের ভূমিকা পালন করবে। বৈঠককালে উভয় পক্ষই থমকে থাকা সার্ক প্রক্রিয়াকে দ্রুত এগিয়ে নিতে নতুন করে রাজনৈতিক দৃষ্টিপাত ও যৌথ প্রয়াস অব্যাহত রাখার বিষয়ে সহমত প্রকাশ করেন।

সাক্ষাৎকালে বিদায়ী প্রধান গোলাম সারোয়ার সংস্থাটির বর্তমান স্থবিরতা ও কাঠামোগত নানা চ্যালেঞ্জের চিত্র তুলে ধরে তা থেকে উত্তরণের উপায় নিয়ে কথা বলেন। একই সাথে বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী দেশের অর্থায়নে সার্কের নিয়মিত প্রকাশনা ও কর্মসূচি সচল রাখার বিষয়টি তিনি অবহিত করেন।

তিনি জানান, ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ বহুল প্রতীক্ষিত 'সার্ক ডেভেলপমেন্ট রিপোর্ট' আলোর মুখ দেখতে পারে। জবাবে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব প্রাপ্ত শামা ওবায়েদ বিদায়ী মহাসচিবের গতিশীল নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে আগামী দিনে নতুন নেতৃত্ব এই ধারাক্রম বজায় রাখবেন। পাশাপাশি সার্ককে সফল করতে ঢাকার সার্বিক সহযোগিতা বহাল থাকবে বলে প্রতিশ্রুত দেন তিনি।

উল্লেখ্য, দক্ষিণ এশিয়ার মানুষের সার্বিক জীবনমান উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহযোগিতার মূলমন্ত্র নিয়ে ১৯৮৫ সালের ডিসেম্বরে নেপালের কাঠমান্ডুতে স্থায়ী সদর দপ্তর স্থাপন করে সার্ক যাত্রা শুরু করে। তবে জোটের অন্যতম দুই অংশীদার ভারত ও পাকিস্তানের পারস্পরিক চরম রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব ও দীর্ঘদিনের বিরোধের কারণে আটটি দেশের এই আঞ্চলিক ফোরামটি দীর্ঘদিন যাবৎ এক প্রকার নিস্তেজ হয়ে পড়েছে।