রবিবার, 25 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

দিল্লিতে আটক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ভারতের নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তরুণদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দিল্লির রাজপথ। এ পরিস্থিতিতে সংসদ সদস্যদের নিয়ে অবস্থান কর্মসূচিতে বসার পর দিল্লি পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী ও পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে দলটির সংসদ সদস্য দোলা সেন, প্রতিমা মণ্ডল, ডেরেক ও’ব্রায়েন, সামিরুল ইসলাম ও সাকেত গোখলেকেও আটক করা হয়েছে।

দিল্লিতে আটক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

ভারতের নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তরুণদের আন্দোলনকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে দিল্লির রাজপথ। এ পরিস্থিতিতে সংসদ সদস্যদের নিয়ে অবস্থান কর্মসূচিতে বসার পর দিল্লি পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী ও পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে দলটির সংসদ সদস্য দোলা সেন, প্রতিমা মণ্ডল, ডেরেক ও’ব্রায়েন, সামিরুল ইসলাম ও সাকেত গোখলেকেও আটক করা হয়েছে।

ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ডাকা বিক্ষোভ কর্মসূচিকে ঘিরে শনিবার সকাল থেকেই দিল্লির বিভিন্ন স্থানে ধরপাকড় শুরু করে পুলিশ। এর মধ্যেই আন্দোলনের প্রতি সংহতি জানাতে কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি তখন দিল্লির ১৮৩ সাউথ অ্যাভিনিউয়ে সংসদ সদস্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে অবস্থান করছিলেন।

সেখান থেকে বিক্ষোভে যোগ দিতে বের হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাঁকে বাধা দেয়। বাইরে যেতে না পেরে তৃণমূলের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে সাউথ অ্যাভিনিউয়ের স্থানীয় বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান নেন তিনি এবং ধরনায় বসেন।

তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে জানান, দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাসভবন থেকে বের হতে বাধা দিয়েছে পুলিশ। প্রতিবাদ কর্মসূচি পালনের সুযোগ না দেওয়ায় তিনি দলীয় সংসদ সদস্যদের নিয়ে বাড়ির সামনের সড়কে অবস্থান নেন। পরে তাঁদের পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।

আটক হওয়ার আগে অবস্থানস্থলে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘আমরা কর্মসূচিতে যোগ দিতে বের হয়েছিলাম। জেন-জি আমাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। কিন্তু সিজেপির ছেলেদেরও আটক করা হয়েছে, বহু নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং কাউকে যন্তর মন্তরে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি। আমরা সবসময় ছাত্র ও যুব সমাজের পাশে আছি।’

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও জানান, যন্তর মন্তরে যেতে বাধা দেওয়া হলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বাসস্ট্যান্ডে অবস্থান কর্মসূচি চালিয়ে যাবেন তিনি।

পুলিশের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে তৃণমূল নেত্রী অভিযোগ করেন, আন্দোলনকারীদের বাসে তুলে দীর্ঘক্ষণ শহরের বিভিন্ন সড়কে ঘোরানো হচ্ছে। অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের সঙ্গেও পুলিশ একই আচরণ করেছে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, বিজয়নকে দুই ঘণ্টা ধরে রাস্তায় ঘোরানো হয়েছে।