সোমবার, 26 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

মালয়েশিয়ায় অনলাইন গেমিং প্রতারণার অভিযোগে চার বাংলাদেশিসহ গ্রেপ্তার ৬

মালয়েশিয়ায় অনলাইন গেমিং প্রতারণা ও জুয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে চার বাংলাদেশিসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। গ্রেপ্তার চার বাংলাদেশির বয়স ২০ থেকে ৫৩ বছরের মধ্যে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের নাম ও পরিচয় প্রকাশ করেনি পুলিশ।

মালয়েশিয়ায় অনলাইন গেমিং প্রতারণার অভিযোগে চার বাংলাদেশিসহ গ্রেপ্তার ৬
ছবি: সংগৃহীত

মালয়েশিয়ায় অনলাইন গেমিং প্রতারণা ও জুয়ার সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে চার বাংলাদেশিসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির পুলিশ। গ্রেপ্তার চার বাংলাদেশির বয়স ২০ থেকে ৫৩ বছরের মধ্যে। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের নাম ও পরিচয় প্রকাশ করেনি পুলিশ।

কেদা রাজ্যের কুয়ালা মুডা জেলা পুলিশ প্রধান এসিপি হানইয়ান রামলানের বরাতে মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, জেলার তামান লাগেনদা এলাকার একটি পরিত্যক্ত হোটেলে অবস্থান করে অভিযুক্তরা গত জুন থেকে অনলাইন গেমিং জুয়ার কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রোববার কুয়ালা মুডা জেলা পুলিশ সদরদপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসিপি রামলান বলেন, গত ২১ অক্টোবর রাতে জেলা পুলিশের বাণিজ্যিক অপরাধ তদন্ত বিভাগের একটি দল অভিযান চালিয়ে চার বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করে। পরে প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে শুক্রবার আরেকটি অভিযান চালিয়ে ৪০ ও ৫০ বছর বয়সি দুই মালয়েশীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা ওই পরিত্যক্ত হোটেল ভবনের মালিক ও ভাড়া দেওয়ার এজেন্ট হিসেবে কাজ করতেন।

পুলিশের ধারণা, অভিযুক্তরা মূলত মালয়েশিয়ায় বসবাসরত বাংলাদেশিদের লক্ষ্য করে প্রতারণা চালাতেন। এ বেআইনি কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বাংলাদেশিরা প্রত্যেকে মাসে প্রায় ২ হাজার ৭০০ মালয়েশীয় রিংগিত করে পেতেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

তদন্তসংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, চক্রটি অনলাইন গেমের ক্রেডিট টপ-আপ এবং গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য ওয়েবসাইট ও হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করত। কোনো গ্রাহক খেলায় জেতার পর টাকা তুলতে চাইলে পরিকল্পিতভাবে তা আটকে রাখা হতো। কখনো সিস্টেমে ‘স্ট্যাটাস পেন্ডিং উইথড্রয়াল’ দেখিয়ে টাকা উত্তোলনের প্রক্রিয়া ঝুলিয়ে রাখা হতো। ফলে গ্রাহকেরা জেতা অর্থ হাতে পেতেন না বলে অভিযোগ।

এসিপি রামলান জানান, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৭টি গ্রাহক অ্যাকাউন্ট এ ধরনের সমস্যার মুখে পড়ত। এতে ভুক্তভোগীদের দৈনিক প্রায় ২ হাজার রিংগিত ক্ষতি হতো বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অভিযান চালিয়ে পুলিশ ১৭টি মোবাইল ফোন, কম্পিউটারের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ, নগদ ২ হাজার ৪৪২ মালয়েশীয় রিংগিতসহ বেশ কিছু সরঞ্জাম জব্দ করেছে।