সোমবার, 26 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

ফেসবুক লাইভে ভাঙার হুমকির ৮ দিন পর গাইবান্ধায় শহিদ মিনার ভাঙচুর

গাইবান্ধা শহরের কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (এটিআই) ভেতরে নির্মিত শহিদ মিনারের একাংশ ভাঙচুর করা হয়েছে। ফেসবুক লাইভে শহিদ মিনার ভেঙে ফেলার ঘোষণা দেওয়ার আট দিন পর এ ঘটনা ঘটল। ওই ঘোষণার সঙ্গে ইনস্টিটিউটের এক প্রশিক্ষকের সংশ্লিষ্টতার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

ফেসবুক লাইভে ভাঙার হুমকির ৮ দিন পর গাইবান্ধায় শহিদ মিনার ভাঙচুর
ছবি: সংগৃহীত

গাইবান্ধা শহরের কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (এটিআই) ভেতরে নির্মিত শহিদ মিনারের একাংশ ভাঙচুর করা হয়েছে। ফেসবুক লাইভে শহিদ মিনার ভেঙে ফেলার ঘোষণা দেওয়ার আট দিন পর এ ঘটনা ঘটল। ওই ঘোষণার সঙ্গে ইনস্টিটিউটের এক প্রশিক্ষকের সংশ্লিষ্টতার কথা জানিয়েছে পুলিশ।

সোমবার সকালে শহরের বাংলাবাজার এলাকায় অবস্থিত প্রতিষ্ঠানটিতে এ ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল হুদা।

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে শিক্ষার্থী ও স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। তাঁরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ঘটনার পর থেকে ইনস্টিটিউটের প্রশিক্ষক মোহাম্মদ আহসান হাবীব আত্মগোপনে রয়েছেন বলে জানা গেছে।

ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ জানায়, গত ১৮ অক্টোবর আহসান হাবীব ফেসবুক লাইভে এসে শহীদ মিনারে উঠে অবমাননাকর বক্তব্য দেন এবং সেটি ভেঙে ফেলার হুমকি দেন। এ ঘটনায় পরদিন গাইবান্ধা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ।

রোববার থানার তদন্ত কর্মকর্তা ইনস্টিটিউটে গিয়ে বিষয়টি তদন্ত করেন। এর এক দিন পর সোমবার সকালে শহীদ মিনারের বেশ কিছু অংশ ভেঙে ফেলা হয়।

ভাঙচুরের পরপরই বিষয়টি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, পরিচালক ও প্রশিক্ষণ উইংয়ের পরিচালককে জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইনস্টিটিউট কর্তৃপক্ষ।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে মোহাম্মদ আহসান হাবীবের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি।

কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ মো. মাহবুবার রহমান বলেন, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। তদন্ত করে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তাঁকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

গাইবান্ধা সদর থানার ওসি নাজমুল হুদা জানিয়েছেন, এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।