- ২০২৭ সালের সরকারি ছুটির তালিকা অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। নতুন তালিকায় সাধারণ ছুটি ১৫ দিন এবং নির্বাহী আদেশে ছুটি ১৪ দিন মিলিয়ে মোট ২৯ দিন ছুটি রাখা হয়েছে। তবে এর মধ্যে সাত দিন সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পড়েছে। ফলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কার্যত ছুটি ভোগ করতে পারবেন ২২ দিন।
সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে আগামী বছরের ছুটির তালিকা অনুমোদন করা হয়। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্তের কথা জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, জাতীয় দিবস ও বিভিন্ন সম্প্রদায়ের গুরুত্বপূর্ণ উৎসব উপলক্ষে আগামী বছর ১৫ দিন সাধারণ ছুটি থাকবে। এর মধ্যে চার দিন সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পড়েছে। এর মধ্যে দুটি শুক্রবার ও দুটি শনিবার।
এ ছাড়া বাংলা নববর্ষ এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ উৎসব উপলক্ষে নির্বাহী আদেশে ১৪ দিন সরকারি ছুটি থাকবে। এই ছুটির মধ্যে তিন দিন সাপ্তাহিক ছুটির দিনে পড়েছে। এর মধ্যে একটি শুক্রবার ও দুটি শনিবার।
ধর্মীয় উৎসব উপলক্ষে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা বছরে সর্বোচ্চ তিন দিন ঐচ্ছিক ছুটি নিতে পারবেন।
চলতি ২০২৬ সালে সরকারি ছুটি রয়েছে মোট ২৮ দিন। এর মধ্যে সাধারণ ছুটি ১৪ দিন এবং নির্বাহী আদেশে ছুটি ১৪ দিন। বছর শেষ হওয়ার আগেই ২০২৭ সালের ছুটির তালিকা অনুমোদন দিল মন্ত্রিসভা।
দুটি অধ্যাদেশ আইনে পরিণত হচ্ছে
মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন আইন, ২০২৬’-এর খসড়াও অনুমোদন করা হয়েছে। বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ স্থাপন কার্যক্রম দ্রুত সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এর আগে ‘বিশেষ সৌরবিদ্যুৎ অধ্যাদেশ ২০২৬’ জারি করা হয়েছিল। নিয়ম অনুযায়ী, অধ্যাদেশটি আইনে পরিণত করার জন্য এখন আইনের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আসন্ন জাতীয় সংসদ অধিবেশনে খসড়াটি উপস্থাপন করা হবে।
একই প্রক্রিয়ায় ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (দ্বিতীয় সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়াও অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। গত ২১ সেপ্টেম্বর ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করা হয়েছিল।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ভাষ্য অনুযায়ী, দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষা এবং সরকারি ক্রয়কাজে আরও বেশি প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে অধ্যাদেশটি জারি করা হয়। এতে নতুন, অতি ক্ষুদ্র ও ক্ষুদ্র, নারী এবং সুযোগবঞ্চিত দরপত্রদাতাদের জন্য বিশেষ সুবিধা সংরক্ষণ এবং উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির কার্যপ্রণালি আধুনিকায়নের মতো বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
নিয়ম অনুযায়ী, ওই অধ্যাদেশকেও আইনে রূপ দিতে আইনের খসড়া অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।