সরকারি কেনাকাটায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও অবাধ প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে ‘পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন (সংশোধন), ২০২৬’-এর নীতিগত চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। এর আগে সংশোধনটি অধ্যাদেশ আকারে জারি করা হয়েছিল।
সোমবার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। পরে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, সরকারি ক্রয় ব্যবস্থাপনার মূল কাঠামো হিসেবে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইনে সংশোধন আনা হচ্ছে। এর লক্ষ্য সরকারি কেনাকাটায় স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও অবাধ প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা। এ পর্যন্ত আইনটিতে মোট ছয় দফা সংশোধন আনা হয়েছে। সর্বশেষ গত ২১ সেপ্টেম্বর অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে সংশোধন করা হয়েছিল।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, দেশীয় শিল্পের স্বার্থ সুরক্ষা এবং সরকারি কেনাকাটায় আরও বেশি প্রতিযোগিতা তৈরির পাশাপাশি নতুন, অতি ক্ষুদ্র ও ক্ষুদ্র, নারী এবং বঞ্চিত দরপত্রদাতাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অধ্যাদেশটি জারি করা হয়। এ ছাড়া রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে বিকল্প ক্রয়ব্যবস্থার সুযোগ রাখাও এর উদ্দেশ্য ছিল।
তিনি জানান, আইন প্রণয়নের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সংশোধনীটি এখন বিল আকারে জাতীয় সংসদের পরবর্তী অধিবেশনে উপস্থাপন করতে হবে। এ কারণেই অধ্যাদেশের বিষয়গুলো আইনে অন্তর্ভুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এদিকে, পোশাকশ্রমিকদের অসন্তোষ নিয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, “বেশ কয়েকদিন আপনাদেরকে বলেছি যে কেবিনেটে যা আলাপ হয় তার আর্ধেকমত হয়তো আপনাদের বলতে পারি। কারণ সিদ্ধান্ত না হলে জানানোর কোনো অধিকার নাই।”
শ্রমিকদের আন্দোলন নিয়ে আলোচনা হয়নি কি না, এমন পাল্টা প্রশ্নের জবাবে তিনি তা-ই তুলে ধরেন।
বৈঠকে অনির্ধারিত কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, জানতে চাইলে নাসিমুল গনি বলেন, “সবসময়ই থাকে সেটা। সবসময়তো একটা বিভিন্ন আলোচনা থাকে।”