শনিবার, 7 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

১০ বছর পর তনু হত্যা মামলায় প্রথম গ্রেপ্তার

দীর্ঘ এক দশকের অপেক্ষা ও জটিলতার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আলোচিত সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় প্রথমবারের মতো একজন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে তদন্তকারী সংস্থা। পিবিআইয়ের তদন্ত কর্মকর্তা তারিকুল ইসলামের অভিযানে সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে তার নিজ বাসভবন থেকে আটক করা হয়।

১০ বছর পর তনু হত্যা মামলায় প্রথম গ্রেপ্তার

দীর্ঘ এক দশকের অপেক্ষা ও জটিলতার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আলোচিত সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় প্রথমবারের মতো একজন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে তদন্তকারী সংস্থা। পিবিআইয়ের তদন্ত কর্মকর্তা তারিকুল ইসলামের অভিযানে সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে তার নিজ বাসভবন থেকে আটক করা হয়।

গ্রেপ্তারের পর বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে তাকে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোমিনুল হকের আদালতে হাজির করা হলে শুনানি শেষে আদালত তার ৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

দীর্ঘদিন ধরে আলোচনায় থাকা এই মামলায় এখন পর্যন্ত চারটি সংস্থার সাতজন তদন্ত কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করেছেন। গত ১০ বছরে আদালতে অন্তত ৮০টি তারিখ পড়লেও হত্যার রহস্য উদঘাটন বা মূল অপরাধীদের শনাক্তে উল্লেখযোগ্য কোনো অগ্রগতি হয়নি। তবে সম্প্রতি তদন্তে নতুন গতি আসে।

এরই অংশ হিসেবে গত ৬ এপ্রিল মামলার সপ্তম তদন্ত কর্মকর্তা সার্জেন্ট জাহিদ, ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমান এবং সৈনিক শাহিনুল আলমের ডিএনএ নমুনা ক্রস-ম্যাচ করার জন্য আদালতের অনুমতি চান। সেই নির্দেশনার পরই গ্রেপ্তারের এই পদক্ষেপ নেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

এদিকে একই দিন বিকেল ৫টার দিকে আদালত প্রাঙ্গণে উপস্থিত হন মামলার বাদী ও তনুর পরিবারের সদস্যরা। দীর্ঘ সময় ধরে ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় থাকা পরিবারটির সদস্যদের, বিশেষ করে তনুর বাবা-মা ও ছোট ভাই রুবেল হোসেনকে আবেগাপ্লুত দেখা যায়। বর্তমানে আদালতে তাদের জবানবন্দি গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

দীর্ঘ ১০ বছরের স্থবিরতা কাটিয়ে প্রথম গ্রেপ্তারের ঘটনায় মামলাটির অগ্রগতিতে নতুন আশা দেখছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও সচেতন মহল। তদন্ত সংশ্লিষ্টদের ধারণা, রিমান্ডে পাওয়া তথ্য এবং ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল মিলিয়ে এই বহুল আলোচিত হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উন্মোচন সম্ভব হতে পারে।