শুক্রবার, 23 অক্টোবর 2026
সকল বিভাগ

১৪ বছর পর বাংলাদেশ-পাকিস্তান সরাসরি ফ্লাইট চালু

দীর্ঘ ১৪ বছর পর আবারও বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি আকাশপথে যোগাযোগ চালু হতে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যাত্রী নিয়ে করাচির উদ্দেশে সরাসরি ছেড়ে যাবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১৬২ আসনের প্রথম ফ্লাইট। রাত ৮টায় নির্ধারিত ঢাকা-করাচি উদ্বোধনী ফ্লাইটের সব টিকিট ইতোমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে।

১৪ বছর পর বাংলাদেশ-পাকিস্তান সরাসরি ফ্লাইট চালু
ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘ ১৪ বছর পর আবারও বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সরাসরি আকাশপথে যোগাযোগ চালু হতে যাচ্ছে। বৃহস্পতিবার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যাত্রী নিয়ে করাচির উদ্দেশে সরাসরি ছেড়ে যাবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ১৬২ আসনের প্রথম ফ্লাইট। রাত ৮টায় নির্ধারিত ঢাকা-করাচি উদ্বোধনী ফ্লাইটের সব টিকিট ইতোমধ্যে বিক্রি হয়ে গেছে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. সাফিকুর রহমান মঙ্গলবার সমকালকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “টানা তিন ঘণ্টা আকাশে ওড়ার পর করাচিতে নামবে বিমানের উদ্বোধনী ফ্লাইট।” এ ফ্লাইটে যাত্রীদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রদূতও থাকবেন।

বিমানসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ২০১২ সালে ঢাকা-করাচি রুটে বিমানের ফ্লাইট পরিচালনা বন্ধ হয়ে যায়। পরে ২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হলে এই রুটে পুনরায় ফ্লাইট চালুর বিষয়টি আবার আলোচনায় আসে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সরকারের আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের পর পাকিস্তানের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বিমান বাংলাদেশকে ফ্লাইট পরিচালনার অনুমতি দিয়েছে। প্রাথমিকভাবে এই অনুমোদন ২০২৬ সালের ৩০ মার্চ পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। এরপর বিষয়টি পুনরায় পর্যালোচনা করা হতে পারে। নতুন অনুমোদনের আওতায় নির্ধারিত রুট ব্যবহার করে বাংলাদেশি এয়ারলাইন্স পাকিস্তানের আকাশসীমা অতিক্রম করতে পারবে।

পাকিস্তানের বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিমান বাংলাদেশকে নির্ধারিত রুট কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। করাচি বিমানবন্দরে ফ্লাইটটির জন্য আলাদা স্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ঢাকা থেকে উড্ডয়নের আগে করাচি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষকে ফ্লাইটের বিস্তারিত তথ্য জানাতে হবে এবং অপারেশনাল সমন্বয় ও নিরাপত্তা বিধি যথাযথভাবে নিশ্চিত করতে হবে।

কর্মকর্তাদের মতে, এই সরাসরি ফ্লাইট চালু হলে দুই দেশের মানুষের যাতায়াত আরও সহজ হবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলবে।