রবিবার, 20 সেপ্টেম্বর 2026
সকল বিভাগ

ঢাবিতে ৩য় ভাষা শিক্ষার প্রসার ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাত সদস্যের প্রশাসনিক প্যানেল গঠন

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কর্মসংস্থানে বাংলাদেশি তরুণদের অংশগ্রহণ আরও সুদৃঢ় ও প্রতিযোগিতামূলক করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিজেদের তৃতীয় ভাষা শিক্ষাদান কার্যক্রমকে শক্তিশালী করার বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

ঢাবিতে ৩য় ভাষা শিক্ষার প্রসার ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাত সদস্যের প্রশাসনিক প্যানেল গঠন

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কর্মসংস্থানে বাংলাদেশি তরুণদের অংশগ্রহণ আরও সুদৃঢ় ও প্রতিযোগিতামূলক করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিজেদের তৃতীয় ভাষা শিক্ষাদান কার্যক্রমকে শক্তিশালী করার বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এই উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠানের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের বিদ্যমান কাঠামো পরীক্ষা এবং করণীয় নির্ধারণের লক্ষ্যে সাত সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ দল গঠন করা হয়েছে।


বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. আবদুল মতিন চৌধুরী মেমোরিয়াল ভার্চ্যুয়াল শ্রেণিকক্ষে আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের ভাষা শিক্ষা সংক্রান্ত কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত ও আধুনিকায়নের উদ্দেশ্যে আয়োজিত এক বিশেষ দিকনির্দেশনামূলক সভায় এই সিদ্ধান্ত অনুমোদিত হয়। উক্ত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

গুরুত্বপূর্ণ এই আলোচনায় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা বিষয়ক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম, প্রশাসনিক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলমোজাদেদ্দী আলফেছানীসহ আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের বিভাগীয় শিক্ষকবৃন্দ।

বৈঠকে ইংরেজি, আরবি, ফরাসি ছাড়াও পূর্ব এশীয় গুরুত্বপূর্ণ ভাষা যেমন চীনা, জাপানি ও কোরীয় ভাষার পাঠদানে বর্তমান ইনস্টিটিউটের অবকাঠামোগত সক্ষমতা পর্যালোচনা করা হয়। দেশের অভ্যন্তরে ভাষাগতভাবে দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজনের পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক পাঠ্যক্রমকে যুগোপযোগী করার সার্বিক কৌশল নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।

সবদিক বিবেচনা করে ইনস্টিটিউটের সুযোগ-সুবিধা নিরূপণ ও সুপারিশ প্রদানের জন্য অধ্যাপক ড. আ ক ম ওয়ালিউল ইসলামকে প্রধান করে সাতজনের একটি প্যানেল দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়েছে। নবগঠিত এই কাঠামোর সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আবছার কামাল। প্যানেলটিকে আগামী দশ কর্মদিবসের মধ্যে তাদের পর্যালোচনামূলক প্রতিবেদন উপাচার্যের দপ্তরে জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম জানান, মধ্যপ্রাচ্য ও পশ্চিমা দেশগুলোর কর্মসংস্থানে দেশের তরুণদের অবস্থান জোরদার করতে ভাষার ওপর দখল থাকা অপরিহার্য। এই বাস্তবতা অনুধাবন করেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বৈশ্বিক ভাষাশিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছে।