শুক্রবার, 6 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

স্বামীর অন্তিম যাত্রায় অশ্রুসিক্ত ডা. দীপু মনি

জীবনের শেষ সময়ে স্বামীকে অশ্রুসজল চোখে বিদায় জানালেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের মরদেহ শেষবারের মতো প্রত্যক্ষ করতে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি লাভ করে রাজধানীর কলাবাগানের বাসভবনে উপস্থিত হন তিনি।

স্বামীর অন্তিম যাত্রায় অশ্রুসিক্ত ডা. দীপু মনি

জীবনের শেষ সময়ে স্বামীকে অশ্রুসজল চোখে বিদায় জানালেন সাবেক শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি।

স্বামী ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের মরদেহ শেষবারের মতো প্রত্যক্ষ করতে ১২ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি লাভ করে রাজধানীর কলাবাগানের বাসভবনে উপস্থিত হন তিনি। সেখানে পৌঁছানোর পর প্রিয় মানুষটির নিথর দেহ দেখে বাষ্পরুদ্ধ হয়ে পড়েন সাবেক এই মন্ত্রী।


কারাগারের বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা ও পুলিশি প্রহরায় সকালে মুন্সীগঞ্জ জেলা কারাগার থেকে প্রিজনভ্যানে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন দীপু মনি। সকালে কলাবাগানের বাসস্থানে এসে পৌঁছালে সেখানে এক অত্যন্ত আবেগঘন পরিবেশের অবতারণা হয়। পরিবারের অন্যান্য সদস্য ও স্বজনরাও এ সময় শোকাকুল হয়ে পড়েন।

আইনজীবীর তথ্যসূত্রে জানা যায়, কলাবাগানের এই নির্দিষ্ট বাসভবনটিতেই তৎকালীন সময়ে তৌফিক নেওয়াজের সাথে প্রথম সাক্ষাত হয়েছিল ডা. দীপু মনির। পারিবারিক প্রাঙ্গণে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের পর মরদেহ গুলশান আজাদ মসজিদে নিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেখানে জানাজা সম্পন্ন করার পর বনানী কবরস্থানে মরহুমের দাফনকার্য পরিচালনা করা হবে।

এর আগে সাবেক এই মন্ত্রীর প্যারোলে মুক্তির আবেদন জানিয়ে মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রশাসকের দপ্তরে লিখিতভাবে আর্জি জানান তাঁর সন্তান তনী দীপাভলী নেওয়াজ। উক্ত আবেদনের প্রেক্ষিতে সকালে নির্দিষ্ট সময় থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত মোট ১২ ঘণ্টার জন্য তাকে শর্তসাপেক্ষ মুক্তির অনুমোদন প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য, রাজধানী গুলশানের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৭৬ বছর বয়সে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বিজ্ঞ আইনজীবী ও গবেষক ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজ। তিনি দীর্ঘদিন ধরে রেচনতন্ত্র ও যকৃৎজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভুগে আসছিলেন।