শনিবার, 7 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

গাজায় সংঘটিত অপরাধের আলামত মুছে ফেলার চেষ্টা করছে ইসরায়েল

হাজার হাজার নিখোঁজ নাগরিকের মৃতদেহ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধের বস্তুগত নিদর্শন ধামাচাপা দিতে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে ফেলা ও স্থানান্তরের অপচেষ্টা চালাচ্ছে দখলদার বাহিনী।

গাজায় সংঘটিত অপরাধের আলামত মুছে ফেলার চেষ্টা করছে ইসরায়েল

দীর্ঘ দুই বছরেরও অধিক সময় ধরে চলা সামরিক সংঘাতের মধ্যে গাজা উপত্যকায় সংঘটিত নৃশংসতার প্রমাণ ধ্বংস করার চেষ্টা চালানোর জন্য ইসরায়েলি বাহিনীকে অভিযুক্ত করেছে সশস্ত্র ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাস।

সোমবার গভীর রাতে প্রকাশিত এক বার্তায় সংগঠনটি দাবি করে, হাজার হাজার নিখোঁজ নাগরিকের মৃতদেহ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধের বস্তুগত নিদর্শন ধামাচাপা দিতে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে ফেলা ও স্থানান্তরের অপচেষ্টা চালাচ্ছে দখলদার বাহিনী।


হামাসের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঘটনাস্থল এবং নিহতদের অবশিষ্টাংশের ওপর হস্তক্ষেপ করা আন্তর্জাতিক আইনি কাঠামোর চরম অবমাননা। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত বা আইসিজে যেখানে গণহত্যার প্রাথমিক আলামত ও সাক্ষ্য সুরক্ষার স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছিল, সেখানে এমন পদক্ষেপ সম্পূর্ণ বেআইনি। পাশাপাশি এটিকে নিহতদের মর্যাদাহানি এবং স্বজনদের মরদেহ ফেরত পাওয়ার মানবিক অধিকার হরণের শামিল হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকার গণকবর ও ধ্বংসাবশেষ সুরক্ষায় জাতিসংঘসহ বৈশ্বিক বিচারক সংস্থাগুলোর আশু হস্তক্ষেপ চেয়েছে ফিলিস্তিনি এই দল। প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন ও সাক্ষ্য-প্রমাণ যথাযথভাবে নথিভুক্ত করতে নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক তদন্তকারী দল এবং ফরেনসিক বিশেষজ্ঞদের ঘটনাস্থলে প্রেরণেরও জোরালো দাবি জানায় তারা।

বার্তায় আরও উল্লেখ করা হয় যে, গাজার অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি মেরামত এবং দ্রুত পুনর্নির্মাণ ফিলিস্তিনিদের মৌলিক মানবিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত হলেও, তা যেন কোনোভাবেই সংঘটিত অপরাধের সাক্ষ্য মুছে ফেলার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হতে না পারে।


সূত্র: মিডল ইস্ট আই