ইরানের বিরুদ্ধে অনির্দিষ্টকালের জন্য নৌপথ অবরুদ্ধ করে রাখার ব্যাপারে ওয়াশিংটনের হুমকির জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যে আবারও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে।
বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক থাকা নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা দেখা দেওয়ায় এই দরবৃদ্ধি ঘটেছে বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এর আগের আন্তর্জাতিক লেনদেনে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির চাহিদা হ্রাসের শঙ্কায় তেলের মূল্যে দুই শতাংশের বেশি পতন ঘটেছিল। বিশেষ করে বৃহস্পতিবার অপরিশোধিত তেলের আন্তর্জাতিক বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই)—উভয় ধরনের তেলের দামই উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে যায়, যা বিগত কয়েক দিনের অব্যাহত মূল্যবৃদ্ধির গতিতে কিছুটা লাগাম টেনেছিল। তা সত্ত্বেও চলতি সপ্তাহের সার্বিক হিসাবে দুই ধরনের তেলের দামই সামগ্রিকভাবে প্রায় চার শতাংশ বৃদ্ধির পথে রয়েছে।
সর্বশেষ বাজার দর অনুযায়ী, প্রতি ব্যারেল ব্রেন্ট ক্রুডের মূল্য ৯ সেন্ট বা ০.১ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৮৭.১৬ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে মার্কিন ডব্লিউটিআই অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলে ৪ সেন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৮১.২৯ ডলারে গিয়ে ঠেকেছে।
বাজারের এই অস্থিরতার মধ্যেই মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এক সাক্ষাৎকারে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন যে, তেহরানের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে যাচ্ছে ওয়াশিংটন। ইরানকে বৈশ্বিক অর্থনীতি থেকে সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্ন করতে খুব শীঘ্রই অভূতপূর্ব কিছু সিদ্ধান্ত ও ঘোষণা আসতে চলেছে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।