সংগঠনটির অর্থায়নে চালিত স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিনিধি আনিস আল-আসবাহি বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, আল-জাওফ অঞ্চলের প্রধান সংশোধনাগারে এই হামলা চালানো হয়, যেখানে এক নারীসহ অন্তত সাতজন গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পর সম্প্রচারিত সংবাদমাধ্যমের দৃশ্যচিত্রে দেখা যায়, ক্ষতিগ্রস্ত একটি ভবনের ধ্বসে পড়া অংশের নিচে উদ্ধার তৎপরতা চালাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অবশ্য এই অভিযোগের বিষয়ে রিয়াদের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে হাদরামাউত এলাকার একটি সীমান্ত এলাকায় সৌদি সামরিক রসদবাহী যানবাহনে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বর্ষণের তথ্য প্রকাশ করেছে হুথিরা। বিদ্রোহী গোষ্ঠীর সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি অভিযোগ আনেন যে, রিয়াদ ওই অঞ্চলে ড্রোন নজরদারি চালানোসহ স্থানীয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে অস্ত্র সহায়তা যোগাচ্ছে। এই ধরনের কর্মকাণ্ডের জন্য সৌদি আরবকে কঠোর মাশুল গুনতে হবে বলেও তিনি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
সারি আরও দাবি করেন, তারা গত ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে প্রতিপক্ষের চারটি নজরদারি ড্রোন কুপোকাত করতে সক্ষম হয়েছেন, যার মধ্যে উচ্চপ্রযুক্তির একটি সিএইচ-৪ মডেলের যানও রয়েছে। আল-জাওফ এলাকায় শত্রুভাবাপন্ন তৎপরতা চালানোর সময় এসব চালকহীন বিমান ধ্বংস করা হয় বলে জানানো হলেও, সৌদি কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ঘটনার কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি।
তথ্যসূত্র : আলজাজিরা