নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী, জেলা শহরের মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়াম মাঠে পদার্পণ করবেন তিনি। সেখান থেকে সফরসঙ্গীদের নিয়ে সোজা অবস্থান নেবেন জেলা সার্কিট হাউসে, যেখানে তাঁকে সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহ্যবাহী গার্ড অব অনার ও সম্মাননা প্রদর্শন করা হবে। এরপরের কর্মসূচ্যে পরিবারের পিতৃ-মাতৃ ভিটায় অবস্থিত কবরস্থানে উপস্থিত হয়ে মা-বাবার রূহের মাগফিরাত কামনায় জিয়ারত ও বিশেষ প্রার্থনায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।
পরবর্তী সূচিতে জানা যায়, শহরের কালীবাড়িস্থ নিজের বাসভবনে মধ্যাহ্নভোজ ও সামান্য অবকাশ সামলানোর পর অপরাহ্ণে ঐতিহাসিক সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের বিশাল প্রান্তরে উপস্থিত হবেন রাষ্ট্রপতি। সেখানে তাঁকে সম্মান জানাতে স্থানীয় বিশিষ্ট নাগরিক ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের পক্ষ থেকে এক নাগরিক সংবর্ধনা সভার আয়োজন করা হয়েছে।
সফরের দ্বিতীয় দিনে সোমবার এক গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে যুক্ত হবেন তিনি। ঠাকুরগাঁও-পীরগঞ্জ প্রধান সড়কের পাশে অবস্থিত জামালপুর নামক স্থানে বহুল প্রতিক্ষীত ‘ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়’-এর নির্মাণকাজের শুভ সূচনা ও ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন করবেন তিনি। অনুষ্ঠান শেষে নিজ বাসায় সংক্ষিপ্ত বিশ্রাম নিবেন এবং সেই দিনই আকাশপথে পুনর্নবীকরণ যাত্রায় ঢাকার উদ্দেশ্যে ঠাকুরগাঁও ছাড়বেন।
রাষ্ট্রপ্রধানের আগমনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় প্রশাসনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। জেলা পুলিশ সুপার মো. বেলাল হোসেন গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতির যাতায়াত ও অবস্থানের ওপর বিশেষ নজর রেখে পূর্বের দিন থেকেই নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে সম্পূর্ণ এলাকা। সব কটি অনুষ্ঠানস্থল, প্রধান সড়ক ও আশপাশের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ নিরাপত্তাবলয় কার্যকর করা হয়েছে।