শনিবার রাতে চট্টগ্রামের একটি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত ‘চট্টগ্রাম বিল্ড এক্সপো-২০২৬’-এর সমাপনী অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, ক্ষমতার প্রকৃত মালিক সাধারণ জনগণ যাতে নিজেদের মর্যাদার প্রতিফলন দেখতে পান, সরকার সেই লক্ষ্যের অংশ হিসেবেই কাজ করছে। প্রতিটি অঞ্চলে সঠিক ভূমি জোনিং কার্যক্রম চালুর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে, যা কার্যকর হলে ভূমি ব্যবস্থার দুর্নীতি নির্মূল হওয়ার পাশাপাশি সেবার মান বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে।
প্রদর্শনীতে উপস্থাপিত পরিবেশবান্ধব বিকল্প ইটের ভূমিকার প্রশংসা করে তিনি অনিয়ন্ত্রিত ইটভাটার কারণে আবাদি জমির উপরিভাগের উর্বরতা নষ্ট হওয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। দেশের সীমিত জমিতে কৃষিখাত রক্ষা করাকে বড় চ্যালেঞ্জ আখ্যা দিয়ে তিনি পরিবেশ ও প্রকৃতির ভারসাম্য বজায় রেখে যেকোনো অবকাঠামো নির্মাণের তাগিদ দেন।
ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে তিনি কেবল মুনাফার চিন্তা না করে দেশের সার্বিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখার আহ্বান জানান। একটি আধুনিক, টেকসই ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়তে স্থপতি ও প্রকৌশলীদের সুপরিকল্পিত পরিকল্পনা ও পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর জোর দেন তিনি।
উক্ত অনুষ্ঠানে স্থপতি ইনস্টিটিউটের শীর্ষ কর্মকর্তা, দেশবরেণ্য প্রকৌশলী, নতুন উদীয়মান উদ্যোক্তা ও নানা পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।