মঙ্গলবার বিচারপতি রাজিক আল জলিল এবং বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চ এই নির্দেশনা প্রদান করেন।
আদেশের পাশাপাশি আদালত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে জানতে চেয়েছেন, এসব অনিয়ন্ত্রিত মাধ্যমের অপপ্রচার বন্ধে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের নিষ্ক্রিয় আচরণকে কেন বেআইনি ও এখতিয়ারবহির্ভূত হিসেবে গণ্য করা হবে না। একই সঙ্গে ভুয়া তথ্য ছড়ানো অনলাইন মাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাতাগুলোর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের স্থায়ী নির্দেশ কেন জারি করা হবে না, তাও ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছে।
জনস্বার্থ সুরক্ষায় ন্যাশনাল লইয়ার্স কাউন্সিলের শীর্ষ কর্মকর্তা অ্যাডভোকেট এস এম জুলফিকার আলী জুনু এই প্রতিকার চেয়ে আদালতে আনুষ্ঠানিক আবেদন দাখিল করেছিলেন। ওই আবেদনে অনিবন্ধিত ও ভিত্তিহীন সংবাদ সরবরাহকারী মাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিতর্কিত পাতাগুলোর মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানো বন্ধে কঠোর পদক্ষেপের নির্দেশনা চাওয়া হয়। বিষয়টি নিয়ে পর্যালোচনা ও বিস্তারিত শুনানি শেষে বিটিআরসি কর্তৃপক্ষকে দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশের পাশাপাশি আদালত সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর প্রতি এই রুল জারি করেন।