শনিবার, 7 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

ফ্যামিলি কার্ড চালুর পরীক্ষামূলক প্রকল্পে ক্রুটি অত্যন্ত নগণ্য: অর্থমন্ত্রী

পরিবারভিত্তিক সহায়তা কার্ড বিতরণের পরীক্ষামূলক পদক্ষেপে অসঙ্গতির হার মাত্র ১ দশমিক ২ শতাংশ বলে দাবি করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

ফ্যামিলি কার্ড চালুর পরীক্ষামূলক প্রকল্পে ক্রুটি অত্যন্ত নগণ্য: অর্থমন্ত্রী

পরিবারভিত্তিক সহায়তা কার্ড বিতরণের পরীক্ষামূলক পদক্ষেপে অসঙ্গতির হার মাত্র ১ দশমিক ২ শতাংশ বলে দাবি করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি জানান, ফ্যামিলি কার্ড সরবরাহে যে পাইলটিং পরিচালনা করা হয়েছিল, সেখানে অনিয়মের হার ছিল ১ দশমিক ২ শতাংশের মতো।

দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনায় এই সামান্য বিচ্যুতিকে অত্যন্ত অপ্রতুল অভিহিত করে উদ্যোগটিকে চূড়ান্ত সফল বলে মূল্যায়ন করেন তিনি। একই সাথে রাজনৈতিক পরিচয়ে কার্ড বিলির অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি স্পষ্ট করেন, স্বজনপ্রীতি বা রাজনৈতিক প্রভাবে এই কার্ড বণ্টন করা হয়নি এবং ভবিষ্যতেও হবে না।


রবিবার সকাল সাড়ে দশটায় চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে অনুষ্ঠিত ‘বন্যা উত্তর পুনর্বাসন ও সহায়তা প্রদান’ বিষয়ক কর্মসূচির সূচনা পর্বে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব তথ্য তুলে ধরেন।

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী উল্লেখ করেন, যেকোনো দুর্যোগ কিংবা সংকট কাটিয়ে উঠতে গেলে ত্রাণ সামগ্রী ও পুনর্বাসন সহায়তা সঠিক পদ্ধতিতে বিতরণ নিশ্চিত করা জরুরি। জাতীয় পর্যায়ে অধিকাংশ সময়ে সঠিক বণ্টনের অভাবে বড় ধরনের অনিয়ম ও অপচয় প্রত্যক্ষ করা যায়, যা প্রধানত প্রশাসনিক অদক্ষতা ও দুর্নীতির দরুন ঘটে থাকে।

তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, সরকারের সার্বিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় সরকারি দপ্তর, ব্যক্তিগত খাত এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার (এনজিও) মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় সমন্বয় ব্যবস্থা গড়ে তোলা হচ্ছে। এটি কেবল বন্যা পরবর্তী ব্যবস্থার মধ্যেই সীমিত নয়; বরং দেশে একটি প্রগতিশীল অর্থনৈতিক রূপরেখা বাস্তবায়নেও এই সমন্বিত শক্তি যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ব্যক্ত করেন, ফ্যামিলি কার্ডের মতো কার্যকরী কাঠামোর মাধ্যমে সরকারি ত্রাণ ব্যবস্থার দক্ষতা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এই উদ্যোগ মূলত অপচয় ও অনিয়মের হাত থেকে সম্পদ রক্ষায় এক ধরনের প্রহরী হিসেবে কাজ করছে। ব্র্যাকসহ বিভিন্ন বেসরকারি উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানের অংশীদারত্বকে বিশেষ সাধুবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের পূর্ণাঙ্গ ও সঠিক উপায়ে পুনর্বাসন নিশ্চিত করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।