সম্প্রতি তেজগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে যোগাযোগ ব্যবস্থার এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি অনুমোদিত হয়। বৈঠকে রাজধানী এবং বরিশালের সাথে ভোলার সরাসরি সংযোগ তৈরির লক্ষ্যে সড়ক ও জনপথ বিভাগের পক্ষ থেকে কয়েকটি প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। এর মধ্য থেকে সবচেয়ে সুবিধাজনক ও কার্যকর হিসেবে রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা পথটি নির্বাচন করা হয়।
যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি ওই অঞ্চলের অর্থনৈতিক গতিশীলতা বাড়াতে একটি সুসংহত পথ তৈরির ওপর বৈঠকে আলোকপাত করা হয়। নতুন মহাসড়ক নির্মাণের এই প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করে মূল ভূখণ্ডের সাথে বিচ্ছিন্ন অঞ্চলের যোগাযোগ নিশ্চিত করার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে পুরোনো পথ প্রশস্ত করার পাশাপাশি কিছু নতুন সড়ক অবকাঠামো তৈরি করতে হবে। পাশাপাশি এই রুটে তিনটি ছোট সেতু নির্মাণের প্রয়োজন হবে। পুরো বিষয়টির সম্ভাব্যতা এবং বাস্তবায়নের সার্বিক দিক শীঘ্রই যাচাই করে দেখা হবে।
পরিকল্পনাটি পুরোপুরি বাস্তবায়িত হলে মূল ভূখণ্ডের সাথে এই দ্বীপ অঞ্চলের যাতায়াতব্যবস্থায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে। এতে যেমন ভ্রমণের সময় অনেক কমে আসবে, তেমনি যাতায়াত খরচও অনেকাংশে সাশ্রয় হবে। দীর্ঘদিন ধরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে একমাত্র জলপথের ওপর স্থানীয়দের যে নির্ভরতা ছিল, নতুন পথ চালু হলে তা অনেক কমে আসবে।
উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকে সড়ক পরিবহন, রেলপথ ও নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং সেতুর দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীগণ উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের কর্মকর্তা এবং সড়ক ও জনপথ বিভাগের শীর্ষ প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা সেখানে অংশ নেন।