গত বৃহস্পতিবার রাশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায় অনুষ্ঠিত এক আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যে পুতিন এই অবস্থান ব্যক্ত করেন।
তিনি উল্লেখ করেন যে, ওয়াশিংটন ও বেইজিং সহ বেশ কয়েকটি প্রভাবশালী রাষ্ট্র এই সংঘাত নিরসনে সাহায্য করতে প্রস্তুত রয়েছে। তবে যেকোনো স্থায়ী নিষ্পত্তির দায়িত্ব মূলত কিয়েভ এবং মস্কোকেই নিতে হবে। আলোচনার সম্ভাবনা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, শান্তির পথ এখনো উন্মুক্ত রয়েছে।
তবে আলোচনার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার কথা তুলে ধরে রুশ প্রেসিডেন্ট জানান, বাণিজ্যিক জাহাজে আক্রমণ এবং যাত্রীবাহী বিমানে হামলা চালানোর মতো উসকানি শান্তির আলোচনাকে পিছিয়ে দিচ্ছে। তিনি ইউক্রেনের এসব তৎপরতাকে রাষ্ট্রীয় উগ্রপন্থা হিসেবে আখ্যা দেন। এর বিপরীতে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সতর্ক করে জানিয়েছেন, তাঁদের ড্রোন তৎপরতার দরুন রাশিয়ার আকাশে বিমান চলাচল বিপদসংকুল হয়ে পড়েছে। তবে কিয়েভের লক্ষ্য কেবল প্রতিপক্ষের সামরিক ঘাঁটিগুলো, বেসামরিক উড়োজাহাজ তাদের আঘাতের আওতায় পড়বে না বলেও তিনি আশ্বস্ত করেছেন।
ইতোমধ্যে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান সংস্থাকে চিঠি দিয়ে রাশিয়ার আকাশপথ এড়িয়ে চলার জন্য সদস্য দেশগুলোকে পরামর্শ দেওয়ার আর্জি জানিয়েছে ইউক্রেন। উল্লেখ্য, সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকেই সুরক্ষার তাগিদে ইউক্রেনের নিজেদের আকাশসীমায় সাধারণ বিমান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছে।