গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মজিদ ইবনে আল-রেজা জানান, এই মুহূর্তে গোপন কৌশলগুলো প্রকাশ্যে আনাটা সমীচীন হবে না। তবে ইরানি প্রযুক্তি, তরুণ প্রজন্মের মেধা এবং অভ্যন্তরীণ সামরিক খাতে যে পরিবর্তনগুলো আনা হচ্ছে, তা ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনবে। একই সাথে তিনি প্রতিপক্ষকে সতর্ক করে বলেন, সঠিক মুহূর্ত এলে সবাই ইরানের এই গোপন শক্তি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাবে।
সংশ্লিষ্ট বার্তা সংস্থার পূর্ববর্তী বিবরণীতে তিনি উল্লেখ করেছিলেন, প্রত্যক্ষ যুদ্ধক্ষেত্রে ইরান এমন কিছু পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করেছে, যা সমগ্র অঞ্চলের সামরিক ক্ষমতার ভারসাম্যকে ব্যাপকভাবে বদলে দিয়েছে। এর মাধ্যমে ইরান স্পষ্টভাবে বুঝিয়ে দিয়েছে যে, হামলা চালিয়ে আত্মগোপন করা, দূরদূরান্তে সেনা সমাবেশ করা কিংবা অনর্থক হুমকি প্রদান করার দিন অতীতের বিষয়।
ইরানি ভারপ্রাপ্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও জোর দিয়ে বলেন, গণমাধ্যমের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার দ্বারা যুদ্ধক্ষেত্রের আসল বাস্তবতা কিংবা জয়-পরাজয়ের সমীকরণকে কখনোই বদলে দেওয়া যাবে না। তাই প্রতিপক্ষের উচিত কয়েক সহস্রাব্দের পুরনো ইরানি ইতিহাস পর্যালোচনা করা এবং এই বীর জাতিকে সর্বদা যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করে কথা বলা।