বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস ও বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশকে পুনর্গঠনের প্রয়াসে বর্তমান সরকার কার্যকর ভূমিকা রাখছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান।
তিনি জানান, দীর্ঘ ১৭ বছরের স্বৈরাচারী শাসনের অবসান ঘটিয়ে জনগণের সরাসরি সমর্থনে দেশে নতুন করে গণতান্ত্রিক ধারার সূচনা হয়েছে। এই যাত্রায় দেশের গতিশীলতা ফিরিয়ে আনাই এখন মূল লক্ষ্য।
সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রিসভার সাম্প্রতিক সম্প্রসারণ ও নতুন সদস্যদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে তিনি উল্লেখ করেন, কার্যক্রমে নতুন গতি আনা এবং সরকারের কার্যকারিতা বাড়াতে এটি একটি সাধারণ ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। সরকারের ছয় মাসের যাত্রায় দেশের বিরাজমান নানা সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে ও আন্তর্জাতিক পরিসরে দেশের মর্যাদা পুনরুদ্ধারে সরকারপ্রধান এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন।
ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট স্মরণ করে তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামে জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করেন। তিনি জানান, দেশের এক চরম সংকটকালে রাজনৈতিক দলগুলো যখন দিকনির্দেশনা দিতে ব্যর্থ হয়েছিল, তখন কালুরঘাট কেন্দ্র থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে সঠিক নেতৃত্ব দেওয়া হয়েছিল। নতুন প্রজন্মের সামনে এসব সঠিক ইতিহাস তুলে ধরা অত্যন্ত জরুরি, যাতে তাদের মাঝে সঠিক চেতনা জাগ্রত হয়।
দেশের রাজনৈতিক যাত্রায় বিগত সময়ের সংগ্রাম ও নেতৃত্বের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, আশির দশকে দেশে তৈরি হওয়া সংকটকালীন মুহূর্তে রাজপথের আপসহীন আন্দোলন এবং পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নেতৃত্ব প্রদানের যে ধারাবাহিকতা তৈরি হয়েছিল, সেই একই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বর্তমানে দেশ পুনর্গঠনের কাজ পরিচালিত হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে অন্যান্য উচ্চপদস্থ সরকারি প্রতিনিধি ও নবনিযুক্ত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীগণ উপস্থিত থেকে স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।