মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হয়ে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। এ সময় জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের পূর্বে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি উল্লেখ করেন, দুই দেশের পারস্পরিক সুবিধা ও সম্মতির ভিত্তিতে দ্বিপক্ষীয় এই সফরের সময়সূচি চূড়ান্ত করা হবে। সফর পিছানো বা নির্দিষ্ট দিনক্ষণ এখনো চূড়ান্ত না হওয়ার অর্থ এই নয় যে আলোচনা থমকে গেছে, বরং দুই দেশের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।
অতীতে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ও জনগণের অনুভূতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নানা সংবেদনশীল বিষয়গুলো ঢাকা অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দিল্লির কাছে তুলে ধরেছে। বর্তমানে সব ধরনের কূটনৈতিক আলাপ-আলোচনা ইতিবাচক ধারায় এগিয়ে চলেছে এবং জাতীয় স্বার্থ ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধকে প্রাধান্য দিয়েই দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকের দিনক্ষণ ঠিক করা হবে।