জনস্বার্থমূলক এক আবেদনের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণ শেষে বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ মঙ্গলবার এই আদেশ জারি করেন।
আদালতের রুলে প্রশ্ন তোলা হয়, সরকারি কর্মচারীদের ব্যক্তিগত কাজের ঘরে চেয়ারের পেছনে জাতীয় পতাকা ঝুলিয়ে রাখা বা যত্রতত্র এর ব্যবহার কেন আইনবহির্ভূত গণ্য করা হবে না। সেই সাথে পতাকার ব্যবহারবিধি যথাযথ রক্ষা হচ্ছে কি না তা পর্যালোচনায় তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠনের তাগিদ দেওয়া হয়। এই কমিটিতে বিচার বিভাগ, পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত থাকবেন, যাদের আগামী ৬০ দিনের মধ্যে বিশদ তথ্য সম্বলিত রিপোর্ট দাখিল করতে হবে।
আদালত নির্দেশ দেন যে, ঐ কার্যালয়গুলোতে জাতীয় পতাকার আইনগত প্রয়োগ, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার অধিকার এবং পতাকার সঠিক মাপ ও রঙ মানা হচ্ছে কি না—তা উক্ত প্রতিবেদনে স্পষ্ট করতে হবে।
রিটকারীর আইনজীবী ব্যারিস্টার এইচ এম সানজিদ সিদ্দিকী সংবাদমাধ্যমকে জানান, ইদানীং সরকারি ও সংবিধিবদ্ধ বিভিন্ন কার্যালয়ে কর্মকর্তাদের বসার চেয়ারের পেছনে কিংবা আসবাবের পাশে জাতীয় পতাকা টাঙিয়ে রাখার নজির দেখা যাচ্ছে। কিন্তু ১৯৭২ সালের জাতীয় পতাকা বিধিমালায় এর স্পষ্ট ও কঠোর নিয়ম সাজানো রয়েছে।
তিনি যোগ করেন, সংবাদপত্রে প্রকাশ হওয়া এ সংক্রান্ত অনিয়মের কয়েকটি চিত্র বিচারালয়ের সামনে তুলে ধরা হয়েছে।
আবেদনে দাবি করা হয়, কর্মস্থলে পতাকাকে পেছনে স্থাপন করে কাজ পরিচালনা করা পতাকার মর্যাদাহানি ঘটায়, যা বিদ্যমান বিধিবিধানের সরাসরি লঙ্ঘন।