শনিবার, 7 নভেম্বর 2026
সকল বিভাগ

২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা অর্ধেকে নামাতে চায় সরকার : সড়কমন্ত্রী

মাঠপর্যায়ে কার্যকর আইন প্রয়োগ, চালক ও পথচারীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দুর্ঘটনা-পরবর্তী দ্রুত জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেল এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনা অর্ধেকে নামাতে চায় সরকার : সড়কমন্ত্রী

মাঠপর্যায়ে কার্যকর আইন প্রয়োগ, চালক ও পথচারীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দুর্ঘটনা-পরবর্তী দ্রুত জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেল এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

তিনি জানিয়েছেন, এসব সমন্বিত পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করা গেলে ২০৩০ সালের মধ্যে দেশে সড়ক দুর্ঘটনা এবং এর ফলে সৃষ্ট প্রাণহানির সংখ্যা অন্তত অর্ধেকের নিচে নামিয়ে আনা সম্ভব।


সোমবার ঢাকার তেজগাঁওয়ে অবস্থিত সড়ক ভবনে 'বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্প'-এর অধীন বিশেষ চিকিৎসাসেবা যান ও পুলিশের টহল গাড়ি হস্তান্তরের এক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। আয়োজিত এই কর্মসূচির মাধ্যমে ৬০টি বেসিক লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুল্যান্স, ৪০টি মোটরসাইকেল অ্যাম্বুল্যান্স এবং ৮০টি হাইওয়ে প্যাট্রোল মোটরসাইকেল আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচন করা হয়।

সড়ক নিরাপত্তাকে জোরদার করতে সরকারের পরিকল্পনা তুলে ধরে সেতুমন্ত্রী জানান, ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যেই একটি যুগোপযোগী ও সমন্বিত নতুন নিরাপদ সড়ক আইন প্রবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মহাসড়কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পার্শ্ববর্তী বাজারগুলো সরিয়ে নেওয়া, সংযোগস্থলে প্রয়োজনীয় ডাইভারশন তৈরি এবং রাস্তায় স্পষ্ট মার্কিং ও সাইনেজ বসানোর উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

অনভিজ্ঞ চালক ও যানবাহনের যান্ত্রিক ক্রুটিকে দুর্ঘটনার মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করে মন্ত্রী বলেন, গণপরিবহন খাতে অনেক চালকই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রশিক্ষণ না নিয়ে কেবল সহকারী হিসেবে কাজ করতে করতে ড্রাইভিংয়ে যুক্ত হয়েছেন। এই অনভিজ্ঞতা, ফিটনেসবিহীন গাড়ি, গতিসীমা লঙ্ঘন এবং হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালানোর প্রবণতা রুখতে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া ও মাঠপর্যায়ে প্রচার জোরদার করা হবে।